উত্তর গাজায় স্থল হামলার প্রেক্ষাপটে
গাজার অধিবাসীদের দক্ষিণে সরে যেতে বলেছিল ইসরায়েল। এবার দক্ষিণ গাজা থেকেও সরতে বলছে।
গতকাল শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এই নির্দেশ জারি করেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা
বাহিনী। খবর রয়টার্স।
সেখানে অবরুদ্ধ গাজার সাধারণ ফিলিস্তিনিদের
দক্ষিণের শহর খাজা ইউনিস ত্যাগ করার নির্দেশনা দেয়। তেল আবিবের স্থল অভিযানের সামনের
লক্ষ্য ওই এলাকা।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন
নেতানিয়াহুর সহকারী মার্ক রেগেভ গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা জানি সাধারণ মানুষের স্থনান্তরিত
হওয়া সহজ নয়। তবুও আমরা তাদের সেখান থেকে সরে যেতে বলেছি। আমরা চাই না ক্রসফায়ারে বেসামরিক
কেউ মারা যাক।
এর আগে উত্তর গাজায় হামলার আগে সেখানকার
বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরে যেতে বলা হয়। ওই সময় কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি দক্ষিণে পালিয়ে
আসে। পালানোর সময় বিমান হামলায় শতশত ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে।
খাজা ইউনিসে চার লাখেরও বেশি মানুষের
বসবাস। এ শহরসহ দক্ষিণের অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত বিমান বর্ষণ করে মানুষ হত্যা করেছে
আইডিএফ।
এদিকে আল-শিফা হাসপাতালকে ঘিরে গাজার
মানবিক পরিস্থিতি আরো মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। হাসপাতালে নিচে হামাসের সুড়ঙ্গ ও ঘাঁটি পেয়েছে
ইসরায়েল এমন দাবি তুললেও স্বাধীনভাবে প্রমাণ করতে পারেনি।
গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় এক হাজার
২০০ জনের মতো ইসরায়েলি নিহত হন। জিম্মি হন ২০০ এর বেশি। অন্যদিকে গাজা উপত্যকায় প্রায়
১২ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। যার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার শিশু ও নারী।
এছাড়া আহতের সংখ্যা ত্রিশ হাজারের কাছাকাছি।
ইসরায়েলের ঢালাও আক্রমণে গাজার ২৩ লাখ
বাসিন্দার বড় একটি অংশ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। হামলা থেকে বাদ পড়েনি বাড়িঘর, হাসপাতাল,
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ বা গির্জার মতো স্থাপনা।










