যুক্তরাষ্ট্রেরে সুপ্রিম কোর্টে হওয়া আইভিএফ সংক্রান্ত রায়ের বিরোধীতা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট গত সপ্তাহে রায় দিয়েছে যে হিমায়িত ভ্রূণেরও শিশুদের মতো একই অধিকার রয়েছে এবং তাদের ধ্বংস বা ক্ষতি করার জন্য মানুষকে দায়ী করা যেতে পারে।এর প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান যে তিনি ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) সমর্থন করেন । ট্রাম্প আলাবামা রিপাবলিকানদেরকে এই চিকিৎসাব্যবস্থা রক্ষা করার জন্য অনুরোধ করেন। খবর বিবিসি।
সুপ্রিম কোর্ট গত সপ্তাহে রায় দিয়েছে যে হিমায়িত ভ্রূণেরও শিশুদের মতো একই অধিকার রয়েছে এবং তাদের ধ্বংস বা ক্ষতি করার জন্য মানুষকে দায়ী করা যেতে পারে।এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত তিনটি ক্লিনিক আইভিএফ চিকিৎসা বন্ধ করে দিয়েছে। তাই শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ট্রাম্প আইভিএফ চিকিৎসার আইনী জটিলতা শিথিলের জন্য আলাবামাকে আহ্বান জানিয়েছেন।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল প্লাটফর্মে লেখেন, ‘আমরা মা এবং বাবাদের জন্য বাচ্চা হওয়া সহজ করতে চাই, কঠিন নয়! যার সহজ উপায়ের মধ্যে রয়েছে আমেরিকার প্রতিটি রাজ্যে আইভিএফ চিকিৎসার উপকারিতা উপলব্ধি করে একে পূর্ণ সমর্থন করা।’
তবে রাজ্যে উদ্বেগ কমানোর আপাত প্রচেষ্টায় আলাবামার রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেল স্টিভ মার্শাল বলেছেন যে তিনি আইভিএফ প্রদানকারী বা তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা করার উদ্দেশ্য তার নেই।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিপক্ষে ট্রাম্পের এমন বক্তব্য আসন্ন নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন রিপাবলিকানরা। অন্যদিকে রিপাবলিকান মনোনয়নের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী নিকি হ্যালিকে প্রাথমিকভাবে সুপ্রিম কোর্টের এ রায়কে সমর্থন করতে দেখা গেছে। হ্যালি বলেছিলেন, তিনি হিমায়িত ভ্রুণকে শিশু বলে আমি মনে করেন। যদিও পরে তিনি এ কথা অস্বীকার করেন।
যদিও আলাবামার রায়ে আইভিএফ নিষিদ্ধ বা সীমাবদ্ধ করা হয়নি তবুও অনেক আইভিএফ সেন্টার নিজেদের চিকিৎসা বন্ধ রেখেছে। কারণ তারা মনে করেন আদালতের এই নির্দেশনার ফলে আইভিএফ চিকিৎসা চালিয়ে গেলে চিকিৎসকদের ফৌজদারি অপরাধের শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।
এদিকে ডেমোক্র্যাটরা ইতিমধ্যেই এটিকে তাদের নির্বাচনী প্রচারণার সাথে যুক্ত করছে। আইভিএফ সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায়টিকে তারা একটি সতর্কতা হিসাবে চিত্রিত করেছে। ডেমোক্র্যাটরা তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় এ কথা যুক্ত করেছে যে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হলে নারী অধিকার অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।










