বরফে ঢাকা অ্যান্টার্কটিকায়
প্রথমবারের মতো অবতরণ করেছে নর্স আটলান্টিক এয়ারওয়েজের অতিকায় একটি উড়োজাহাজ। গত বুধবার
(১৫ নভেম্বর) রানওয়েতে সফলভাবে নামে অতিপরিচিত বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার। খবর সিএনএন।
আন্টার্কটিকার
রানওয়েগুলো স্বাভাবিকের তুলনায় ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ। ঝোড়ো হাওয়াময় ও বরফাচ্ছন্ন এসব রানওয়েতে
উড়োজাহাজ অবতরণের সময় জোরে ধাক্কা লাগার ঝুঁকি থাকে। তাই নতুন পাইলট ও যাত্রীদের মনে
ভয় থাকাটা স্বাভাবিক।
বুধবার স্থানীয়
সময় দুপুর ২টার দিকে এয়ারবাসটি অবতরণ করে। হোয়াইট কনটিন্যান্ট নামে পরিচিত অ্যান্টার্কটিকার
এ রানওয়ে দৈর্ঘ্যে তিন হাজার মিটার ও প্রস্থে ৬০ মিটার।
এর আগে ১৩ নভেম্বর
নরওয়ের অসলো থেকে যাত্রা করে ড্রিমলাইনার। দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন হয়ে দুইদিন পর অ্যান্টার্কটিকায়
পৌঁছায়। নরওয়েজিয়ান পোলার ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীসহ এয়ারবাসে ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের
সঙ্গে যায় ১২ টন ওজনের সরঞ্জাম।
আকার ও মডেল অনুসারে
সর্বোচ্চ ৩৩০ জন যাত্রী বহন করতে পারে ড্রিমলাইনার। প্রথমবার অ্যান্টার্কটিকায় অবতরণের
মাধ্যমে পৃথিবীর ছয় মহাদেশে পৌঁছে গেল এ মডেলের আকাশযান।
এক বিবৃতিতে নর্স
আটলান্টিক এয়ারওয়েজের প্রধান নির্বাহী বিজর্ন টোরে লারসেন বলেন, প্রথমবার ৭৮৭ ড্রিমলাইনার
অবতরণ করাতে পেরেছি। পুরো টিম নর্সের জন্য এটি ছিল সম্মান ও উত্তেজনাকর মুহূর্ত।
নরওয়েজিয়ান
পোলার ইনস্টিটিউটের পরিচালক ক্যামিলা ব্রেকের মতে, ভঙ্গুর এ মহাদেশে বড় ও আধুনিক বিমান
ব্যবহার পরিবেশের দিক থেকে টেকসই। যা সামগ্রিক নির্গমন ও পরিবেশগত ক্ষতি কমাতে সাহায্য
করতে পারে। একই সঙ্গে অ্যান্টার্কটিকায় নরওয়েজিয়ান গবেষণাকে শক্তিশালী করতেও অবদান
রাখবে।










