গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা নিয়ে সমঝোতার ক্ষেত্রে ইসরায়েলকে আর কোনো ছাড় দিতে রাজি না থাকার কথা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। বুধবার (৯ মে) এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় হামাস। যদিও এখনো কায়রোতে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের বিরতি নিয়ে আলোচনা করছে মধ্যস্ততাকারী দেশগুলো। খবর রয়টার্স। 

কায়রোতে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় থাকলেও গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় ট্যাংক ও বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। শহরটিতে বড় ধরনের আক্রমণ চালানোর হুমকি দিয়েছে তারা। মঙ্গলবার (৮ মে) ইসরায়েলি বাহিনী গাজা ও মিশরের মধ্যবর্তী রাফা সীমান্ত ক্রসিং দখল করে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ত্রাণ পথটি বন্ধ করে দিয়েছে। এতে গাজার আহত রোগীদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথটিও বন্ধ হয়ে গেছে।

কাতারে হামাসের রাজনৈতিক দপ্তরের সদস্য ইজ্জাত এল-রেশিক এক বিবৃতিতে বলেছেন, সোমবার (৭ মে) তারা যুদ্ধবিরতির যে প্রস্তাবে রাজি হয়েছে তার থেকে সরবে না। 

এ প্রস্তাবে অনেকগুলো বিষয়ের মধ্যে গাজা থেকে কিছু ইসরায়েলি জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলে বন্দি কিছু ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুকে মুক্তি দেওয়ার কথাও রয়েছে। 

রেশিক বলেছেন, একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে ইসরায়েল আন্তরিক না। তারা রাফায় আক্রমণ ও ক্রসিংটি দখল করতে আলাপ-আলোচনাকে একটি আড়াল হিসেবে ব্যবহার করছে।”  

এ বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য আসেনি। হামাস যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গ্রহণ করার পর ইসরায়েল জানিয়েছিল, যে তিন ধাপের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তা অগ্রহণযোগ্য কারণ এর শর্তগুলোকে দুর্বল করে ফেলা হয়েছে।