চীনের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা চুক্তি করেছে মালদ্বীপ সরকার। এ চুক্তির দুইদিন পরই ভারত মহাসাগরে নজরদারি আরো শক্তিশালী করতে লাক্ষাদ্বীপে নতুন নৌঘাঁটি তৈরি করেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। লাক্ষাদ্বীপের মিনিকয় দ্বীপে 'আইএনএস জটায়ু' নামে এ সামরিক ঘাঁটি উদ্বোধন করেছেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার। খবর এনডিটিভি।
গণমাধ্যমটি বলছে, ভারত মহাসাগরে নিজেদের নজরদারি বাড়াতে মালদ্বীপ থেকে ৫০ মাইল দূরে লাক্ষাদ্বীপের মিনিকয় দ্বীপপুঞ্জে নতুন ঘাঁটি তৈরি করেছে।
নৌবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মালদ্বীপের নিকটবর্তী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলোয় তাদের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করতে নতুন ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘাঁটি থেকে ভারত মহাসাগরে নজরদারি বাড়ানো হবে। ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের নিয়ন্ত্রণ ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমও পরিচালনার ক্ষেত্রে এ ঘাঁটি সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এছাড়া এ অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নিরাপত্তা এ ঘাঁটি থেকে নিশ্চিত করা হবে।
ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ভারতের পশ্চিম উপকূলে, কোচিতে আমেরিকার তৈরি এসএইচ-৬০ আর ‘সি হক’ নামে উড়োজাহাজসহ একটি নতুন স্কোয়াড্রনও নৌবাহিনী নিয়োগ করেছে৷ স্কোয়াড্রন, এটি বলেছে, ‘আমাদের সামুদ্রিক নজরদারি এবং সাবমেরিন-বিরোধী যুদ্ধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।’
প্রসঙ্গত, কয়েক দশক ধরেই নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে ভারত। প্রতিবেশী দুই দেশ পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে বিরোধের জেরেই মূলত সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে নজর দিয়েছিল দেশটি। তবে সাম্প্রতিক কালে ভারত মহাসাগর ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে তৎপর নয়াদিল্লি। যার অন্যতম কারণ বেইজিং। কয়েক দশকে ভারতীয় মহাসাগরে নিজের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে চীন, যা ভারতের জন্য বড় চিন্তার কারণ।










