ভারতের উত্তরাখণ্ডে
নির্মাণাধীন হাইওয়ে টানেল ধসে পড়ার সাতদিনেও উদ্ধার করা যায়নি কয়েক ডজন শ্রমিককে। গতকাল
শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) রাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় একটি ড্রিল মেশিন। ওই সময় বিকট শব্দ হয়।
এনডিটিভি জানায়,
ড্রিল মেশিন ক্ষতিগ্রস্ত হলে স্থগিত হয় উদ্ধার অভিযান। আজ শনিবার নতুন মেশিন দিয়ে পুনরায়
শুরুর কথা রয়েছে।
গত ১২ নভেম্বর
থেকে আটকে থাকা ৪০ জন শ্রমিককে পাইপের মাধ্যমে খাবার ও পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
আটকে পাড়া শ্রমিকদের
পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। তবে সাতদিনেও তাদের উদ্ধার করা না যাওয়ায় আশাহত
বলে জানান। এক শ্রমিকের ভাই বলেন, স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার আগেই তাদের দ্রুত উদ্ধার
করা দরকার।
দীর্ঘ সময় ধরে
এভাবে আটকে থাকায় শ্রমিকরা মানসিক ও শারীরিক চাপে পড়বেন বলে আশংকা চিকিৎসকদের। উদ্ধারের
পর পুনর্বাসনের ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম
জানায়, উত্তরাখণ্ডের সিল্কইয়ারা ও দান্দানগাঁওকে যুক্ত করতে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার
দৈর্ঘ্যের এ টানেলের নির্মাণ চলছিল। যা হিন্দুদের তীর্থস্থান উত্তর কাশীর সঙ্গে যমুনাত্রীর
সংযোগ সড়কের দূরত্ব ২৬ কিলোমিটার কমিয়ে আনবে। গত ১২ নভেম্বর সকালে শিফট বদলে সময় টানেলটির
ছাদ ধসে পড়ে। এসময় টানেলের প্রায় ১৫০ মিটার জায়গা ধসে পড়ে।
টানেল ধসে পড়ার
পর থেকেই উদ্ধার কার্যক্রম চলছিল। এর মধ্যে গতকাল ‘বিকট শব্দের পর’ খনন বন্ধ হয়ে যায়।
এরপর জানানো হয়, ভারতীয় বিমানবাহিনী সি-১৩০ হারকিউলিস সামরিক বিমানে ইন্দোর থেকে দ্বিতীয়
ড্রিল মেশিনটি উড়িয়ে আনছে।










