চলতি বছরের এপ্রিলে গাজায় ত্রাণ পাঠাতে ইসরায়েলের বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে জাতিসংঘকে। এমনকি দেশটি গাজায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে অস্বীকৃতিও জানায়। ইউএন অফিস ফর কোঅর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্সের (ওসিএইচএ) বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। সম্প্রতি আবার ত্রাণ সরবরাহ চালু করা হয়েছে। তবে ধারাবাহিক ত্রাণ সরবরাহ সত্ত্বেও অঞ্চলটিতে ছয় মাসে যে পরিমাণ মানুষ অনাহারে রয়েছে সে সংখ্যার তুলনায় তা অপ্রতুল। খবর আল জাজিরা। 

ইসরায়েলের সঙ্গে গাজা স্ট্রিপের উত্তর সীমান্ত ক্রসিংস বেইট হানুন (ইরেজ) ক্রসিং ৭ অক্টোবরের হামলার পর প্রথমবারের মতো খোলা হয়েছে। এরই মধ্যে জর্ডান থেকে ৩১টি ত্রাণ বোঝাই ট্রাক গাজায় এসেছে।  

ইসরায়েলি রিপোর্ট অনুসারে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেনকে বলেছেন যে তিনি হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে নেবেন না।

ইউনিসেফের প্রধান ক্যাথরিন রাসেল জানিয়েছেন, ছয় লাখ ফিলিস্তিনি শিশু রাফাতে আটকা পড়েছে এবং ইসরায়েলের স্থল আক্রমণ অঞ্চলটিতে ভয়ংকর বিপর্যয় ডেকে নিয়ে আসছে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩৪ হাজার ৫৬৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং ৭৭ হাজার ৭৬৫ জন আহত হয়েছে। ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলায় ১ হাজার ১৪৯ জন মারা যায়, কয়েক ডজন লোক এখনো জিম্মি রয়েছে।