রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে অন্তত দুজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো এ হামলার কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তীব্র শীতের মধ্যে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে মানবিক সংকট আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। খবর আল জাজিরা।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, সুমি, খারকিভ, দিনিপ্রো, জাপোরিঝিয়া, খমেলনিতস্কি ও ওডেসা অঞ্চলে একযোগে হামলা চালানো হয়েছে। এ অভিযানে ২০০টিরও বেশি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, জ্বালানি ব্যবস্থার পরিস্থিতি এখনো বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে। তবে যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎসহ অন্য সেবা পুনরুদ্ধারে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
জেলেনস্কি জানিয়েছেন, শুধু চলতি সপ্তাহেই ইউক্রেনের ওপর ১ হাজার ৩০০টির বেশি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন, প্রায় ১ হাজার ৫০টি গাইডেড এরিয়াল বোমা এবং বিভিন্ন ধরনের ২৯টি মিসাইল নিক্ষেপ করেছে রাশিয়া।
এ পরিস্থিতিতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আবারো সহায়তার আহ্বান জানান জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ইউক্রেনের আরো সুরক্ষা প্রয়োজন—বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য আরো ক্ষেপণাস্ত্র দরকার। রাশিয়া যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করে, তাহলে দেশটির প্রতি বিশ্বনেতাদের প্রতিক্রিয়াও কঠোর হতে হবে।
এ হামলার একদিন আগে ইউক্রেনের একটি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছায়। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে ইউক্রেনে প্রায় চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের উপায় নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ও যুদ্ধ-পরবর্তী ইউক্রেন পুনর্গঠনের বিষয়েও আলোচনার কথা রয়েছে।










