যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা অবসানে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে কাতার। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি কাতারি আলোচক দল আজ তেহরানে পৌঁছেছে।
আলোচক দলটির লক্ষ্য হলো, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি চুক্তি নিশ্চিত করা এবং এখনো অমীমাংসিত বিভিন্ন বিষয় সমাধান করা।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র শুক্রবার রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গাজা যুদ্ধসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংকটে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসা দোহা এতদিন ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রে সরাসরি মধ্যস্থতা থেকে দূরে ছিল। কারণ সাম্প্রতিক সংঘাতে কাতার ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়ে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে এই যুদ্ধের সূচনা হয়। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় তেহরান ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি থাকা কয়েকটি দেশেও হামলা চালায়। এতে মার্কিন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বেসামরিক স্থাপনায় ধ্বংসযজ্ঞ ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।
এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।
মধ্যপ্রাচ্যের এ সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে এতদিন মধ্যস্থতার ভূমিকায় ছিল পাকিস্তান। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। ইসলামাবাদে বৈঠক এবং পরবর্তীতে একাধিকবার বার্তা আদান-প্রদান হলেও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে এখনো বেশ কিছু জটিলতা রয়ে গেছে।










