ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞায় সম্মতি দিয়েছে। এতে মস্কোর যুদ্ধে সমর্থনের দায়ে প্রথমবার চীন ও ভারতের কোম্পানিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। খবর ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।

রাশিয়ার পুর্ণ মাত্রায় ইউক্রেনে আক্রমণের প্রেক্ষিতে এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৩ তম নিষেধাজ্ঞা। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লেইন নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে বলেন, আমরা ভ্লাদিমির পুতিনের যুদ্ধ যন্ত্রকে অবদমিত করব এবং ক্রেমলিনের ওপর সর্বোচ্চ চাপ অব্যাহত রাখব।

সাইবেরিয়ার জেলে গত সপ্তাহে রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মৃত্যুর প্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্মকর্তারা নিষেধাজ্ঞার পরবর্তী ধাপের বিষয়েও আলোচনা করেছেন। এরই মধ্যে নাভালনি যেখানে মারা গেছেন, সে জেলখানার ছয়জন ব্যবস্থাপকের ওপর যুক্তরাজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন চীনা কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও সেখান থেকে সরে আসে। কারণ জার্মানিসহ সদস্য রাষ্ট্রগুলো চীনের প্রতিক্রিয়া নিয়ে শঙ্কায় ছিল।

চীনের তিনটি কোম্পানি ও ভারতের একটি কোম্পানির ওপর এ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের শ্রীলঙ্কা, তুরস্ক, থাইল্যান্ড, সার্বিয়া ও কাজাখস্থানের ব্যবসাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

এসব ক্ষেত্রে প্রধানত রাশিয়ার অস্ত্র তৈরি অথবা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্রে ইলেকট্রনিক ও মাইক্রোচিপসের মতো সরঞ্জাম সরবরাহে সহযোগীতার প্রমাণ থাকলে ব্যবসায়িক বিধিনিষেধ জারি হবে।  

২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণ মাত্রায় আক্রমণের ২ বছর পূর্ণ হওয়ার দিন সামনে রেখে বুধবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা এক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক মতানৈক্য পৌঁছে।