ইসরায়েল শর্ত মেনে নিলে দুই-একদিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্ভব বলে জানিয়েছেন হামাস। স্থানীয় সময় রোববার (৩ মার্চ) মিসরের রাজধানী কায়রোতে যুদ্ধবিরতি নিয়ে হামাস-ইসরায়েল ও মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। এই আলোচনা শুরুর আগে এমন তথ্য জানান নাম প্রকাশ না করা হামাসের ওই কর্মকর্তা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘যদি ইসরায়েল হামাসের শর্ত মেনে নেয়, যার মধ্যে রয়েছে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের গাজার উত্তরাঞ্চলে নিজেদের ঘর-বাড়িতে ফিরতে দেয়া এবং ত্রাণ সহায়তার সরবরাহ বৃদ্ধি করা, তাহলে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধবিরতির পথ খুলবে।’
এর আগে গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানান, ‘ইসরায়েল ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। এখন প্রস্তাবটি কার্যকর হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে হামাসের ওপর। যদি তারা এতে সম্মতি দেয় তাহলে দুই পক্ষের মধ্যে ফের যুদ্ধবিরতি হবে।’
দুই সপ্তাহ আগে ফ্রান্সের প্যারিসে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন যুদ্ধবিরতির একটি কাঠামো তৈরি করে। এতে বলা হয়, প্রথমে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি হবে। এই সময়ের মধ্যে হামাস ৪০ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে। অপরদিকে অবৈধ দখলদার ইসরায়েল তাদের কারাগার থেকে কয়েকশ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে।










