ফিলিস্তিনের গাজায় ত্রাণ পাঠাতে সমুদ্র
পথে করিডোর খোলা হবে বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার
লিয়েন। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে সাইপ্রাস থেকে গাজায় মানবিক সহায়তা পাঠাতে এ করিডোর
চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ফিলিস্তিনের এ অঞ্চলটিতে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা বাড়ছে বলে
অভিযোগ করেছেন উরসুলা। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
গতকাল শুক্রবার (৮ মার্চ) সাইপ্রাসের
লারনাকার বন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট
এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, সমুদ্র পথে এ করিডর মানবিক
বিপর্যয়ের মধ্যে থাকা গাজায় আরো বেশি ত্রাণ পাঠানোর সুযোগ করে দেবে। সাইপ্রাস থেকে
পরীক্ষামূলকভাবে ত্রাণ পাঠানো শুরু হচ্ছে বলে জানান তিনি। এর আগে গত বৃহস্পতিবার গাজায়
ত্রাণ পাঠাতে অস্থায়ী বন্দর নির্মাণের ঘোষণা দেয়া হয়।
গত ৭ অক্টোবর হামাস-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর
পর পাঁচ মাস ধরে তেল আবিবের অবরোধে রয়েছে গাজা উপত্যকা। অঞ্চলটিতে কোনো ত্রাণ
সহায়তা ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে বেশির ভাগ গাজাবাসী অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন।
খাদ্যাভাবে মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে সেখানকার হাজার হাজার নারী ও শিশু।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক্ষুধা এবং তীব্র পানিশূন্যতায় ভুগছেন গাজার প্রায় ৬০ হাজার অন্তঃসত্ত্বা নারী। এ অবস্থায় প্রতি মাসে গড়ে ৫ হাজার নারী তাদের সন্তান প্রসব করছেন।










