জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ‘মানবিক
বিরতি’র প্রস্তাব (রেজুলেশন) প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। গাজা উপত্যকায় পর্যাপ্ত সময়ের
জন্য এ বিরতির প্রস্তাব আনা হয় গতকাল বুধবার (১৫ নভেম্বর)। তবে তা খারিজ করে দেন ইসরায়েলের
রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদান। খবর আলজাজিরা।
রাষ্ট্রদূত বলেছেন, জাতিসংঘের প্রস্তাবটি
বাস্তবতা বিবর্জিত ও অর্থহীন। ‘ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে কাজ করছে’ বলেও মন্তব্য
করেন তিনি। এছাড়া ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার কথা উল্লেখ না করায় জাতিসংঘের সমালোচনা
করেন গিলাদ।
অন্যদিকে তেল আবিবের সুরেই কথা বলেছেন
মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড। জাতিসংঘে তিনি বলেন, আমি আতঙ্কিত যে এই
পরিষদের কিছু সদস্য এখনও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামাসের বর্বরোচিত হামলার নিন্দা জানাতে
পারছে না। তারা কিসের ভয়ে আছে?
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পরিচালক লুই
চারবোনিউ জাতিসংঘের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ প্রস্তাব ইসরায়েলসহ
বিশ্বের অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠিগুলোর জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা দিচ্ছে যে, আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার আইন সমালোচনার ঊর্ধ্বে।
জাতিসংঘের গতকালের সাধারণ পরিষেদের
বৈঠকে মানবিক বিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে রাশিয়া বলছে, গাজায়
যুদ্ধবিরতির বিকল্প নেই।
গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর প্রতিশোধমূলক
ভয়াবহ হামলা শুরু করে ইসরায়েল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায়
এ পর্যন্ত ১১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন, যার অর্ধেক শিশু। এছাড়া ইসরায়েলের
হামলা ও অবরোধে গাজার বড় বড় হাসপাতালগুলো পরিণত হয়েছে মৃত্যুপুরীতে।










