ষাটের দশকে
ভারতীয় উপমহাদেশের
এ ভূখণ্ডে
ওষুধ কোম্পানি
ছিল না
বললেই চলে।
ওই সময়
পূর্ব বাংলায়
বহুজাতিক কোম্পানির
মধ্যে অন্যতম
ছিল ফাইজার
ও গ্ল্যাক্সো।
এছাড়া হাতে
গোনা কিছু
ওষুধ কোম্পানির
মধ্যে উল্লেখযোগ্য
ছিল ফার্মাপাক,
এড্রুক ও
অ্যালবার্ট ডেভিড।
তারপরে একমি
ও অপসোনিন।
বহুজাতিক ওষুধ
প্রস্তুতকারক কোম্পানি
তৈরির সক্ষমতা
আমাদের দেশীয়
কোনো কোম্পানির
নেই—অনেকেরই
ধারণা ছিল
এমন। তবে
সত্যি কথা
বলতে সক্ষমতা
ছিলও না—এটা
পাকিস্তান আমল
থেকেই। বিশেষ
করে অবাঙালিরাই
ওষুধ শিল্প
বা এ
ধরনের উদ্যোগের
উদ্যোক্তা ছিলেন।
সে সময়
বহুজাতিক কোম্পানির
উচ্চপদে ও
পর্যায়ে বিদেশী
কিংবা অবাঙালিদেরই
বেশি দেখা
যেত।
তবে একটা
সময় বেশ
কয়েকটি বহুজাতিক
কোম্পানির পরিচালনায়
বাঙালিরা আসতে
শুরু করেন।
যেমন ফাইজারে
এলেন হুমায়ুন
কবির সাহেব,
আইসিআইতে যোগ
দেন গজনবী
সাহেব ও
পরে আনিস
সাহেব। হাতে
গোনা কয়েকজন
বাঙালি ছিলেন
তখন। আমার
বাবা স্যামসন
এইচ চৌধুরী
তার কয়েকজন
বন্ধুকে সঙ্গে
নিয়ে ১৯৫৮
সালে প্রতিষ্ঠা
করেন স্কয়ার
ফার্মাসিউটিক্যালস। শুরুতে
স্কয়ার ছিল
খুবই ছোট
একটি কোম্পানি।
বাবার বন্ধু
আর পরিচিতদের
মধ্যে অনেকেই
ছিলেন বহুজাতিক
কোম্পানিগুলোতে।
স্বাধীনতার সময়
দেশের ওষুধ
শিল্প ছিল
অবিকশিত একটি
খাত। এমনকি
আমাদের চিকিৎসকরাও
বিশ্বাস করতে
চাইতেন না
যে, ওষুধের
মতো একটি
পণ্য বহুজাতিক
ছাড়া স্থানীয়
কোম্পানি উৎপাদন
করতে পারে। আমদানিনির্ভরতা
ছিল অনেক
বেশি। সে
সময় ওষুধের
মোট চাহিদার
৭০ শতাংশই
পূরণ করতে
হয়েছে আমদানির
মাধ্যমে। এতে
ব্যয় করতে
হয়েছে প্রচুর
বৈদেশিক মুদ্রা।
পরিস্থিতি থেকে
উত্তরণে বঙ্গবন্ধু
বেশকিছু পদক্ষেপ
নিয়েছিলেন, যার
সুফলও আসতে
শুরু করেছিল।
কিন্তু পঁচাত্তরের
পটপরিবর্তনের পর
আবারো সে
পুরনো ধারাতেই
ফিরে যায়
দেশের ওষুধ
খাত। এ
পরিস্থিতি বিরাজ
করে আশির
দশকের শুরু
পর্যন্ত।
১৯৮২ সালে
প্রণয়ন করা
হয় দেশের
প্রথম পূর্ণাঙ্গ
জাতীয় ওষুধ
নীতিমালা। ওই
নীতিমালাই শিল্প
খাতটিতে ব্যক্তি
উদ্যোগ বিকাশের
সুযোগ তৈরি
করে দেয়।
আর এ
নীতিমালা প্রণয়ন
ও বাস্তবায়নে
সফল ভূমিকার
কৃতিত্ব অনেকটাই
গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা
ও মুক্তিযোদ্ধা
ডা. জাফরুল্লাহ
চৌধুরীর। সেই
সময় অধ্যাপক
নুরুল ইসলাম,
ডা. জাফরুল্লাহসহ
আরো অনেকের
সহযোগিতায় ওষুধনীতি
প্রণয়ন হয়।
১৯৮২ সালের
ওষুধ নীতিটি
ছিল প্রথম
পূর্ণাঙ্গ এবং
সফল জাতীয়
ওষুধ নীতি।
এটি ছিল
অত্যন্ত সফল
ও শিল্পবান্ধব।
দেশের মানুষকে
অপ্রয়োজনীয় ওষুধের
হাত থেকে
সুরক্ষা দেয়ার
পাশাপাশি স্থানীয়
শিল্পকে পুনরায়
প্রণোদনাও যুগিয়েছে
তা। আগে
ওষুধ খাতের
স্থানীয় উদ্যোক্তাদের
বড় ও
জোরালো অবস্থান
নেয়ার মতো
কোনো পরিস্থিতি
ছিল না।
তবে নীতি
প্রণয়নের পর
তা যথাযথ
কাজে লাগিয়ে
দেশের ওষুধ
শিল্পের বিকাশ
ঘটতে থাকে।
ওষুধ নীতি
প্রবর্তনের আগে
আমাদের এখানে
বহুজাতিক কোম্পানির
অনেক ধরনের
ওষুধ তৈরি
করা হতো।
যেমন অ্যালকোহলযুক্ত
গ্রাইপ ওয়াটার।
বাচ্চাদের সামান্য
কান্নাতেই মায়েরা
এটি ব্যবহার
করতেন। অনেকে
মনে করত,
ওষুধটি খুবই
কার্যকর। এগুলো
খাওয়ালে তাত্ক্ষণিক
আরাম হতো
তবে পুরোপুরি
সেরে উঠত
না। তাছাড়া
তখন টনিক
বিক্রি হতো,
যা খেলে
শরীরে এক
ধরনের চাঙা
ভাব আসে।
এগুলো সবই
ছিল অ্যালকোহলনির্ভর।
জনপ্রিয়তা ছিল
বলে বিদেশী
কোম্পানিগুলোও তা
তৈরি করত।
ওষুধ নীতি
প্রণয়নের পর
এ ধরনের
অনেক পণ্যের
উৎপাদন বন্ধ
করে দেয়া
হয়, যা
ছিল একটি
সাহসী পদক্ষেপ।
সে সময়
বহুজাতিক অনেক
কোম্পানি আমাদের
এখান থেকে
ব্যবসা গুটিয়ে
নেয়ার হুমকি
দেয়। তবে
সরকারের দৃঢ়
অবস্থানের বিষয়টি
ছিল ভীষণভাবে
ইতিবাচক।
তখন স্কয়ার
অন্যদের তুলনায়
অনেক দ্রুত
ও সাহসের
সঙ্গে এগিয়ে
আসে। নতুন
কারখানা স্থাপন
করে। সহজনীতি
প্রণয়নের ফলে
কাঁচামালের দাম
কমে গেল।
রইল না
মূল কোম্পানি
থেকে অধিক
মূল্যে কাঁচামাল
কেনার বাধ্যবাধকতা।
সুযোগ হলো
আন্তর্জাতিক মুক্ত
বাজার থেকে
এপিআই কেনার।
ওষুধের দাম
হল আগের
দামের তিন
ভাগের এক
ভাগ। এর
সুফল নিয়ে
স্কয়ার প্রস্তুত
করল বেশ
কিছু অ্যান্টিবায়োটিক।
নব্বইয়ের প্রথম
দিকে স্কয়ার
বাংলাদেশের এক
নম্বর ফার্মাসিউটিক্যাল
কোম্পানিতে পরিণত
হয়। সে
সময় চিকিৎসকরাও
কিন্তু উপলব্ধি
করতে সক্ষম
হন ওষুধের
মতো পণ্য
বহুজাতিক কোম্পানি
নয় স্থানীয়
কোম্পানিও উৎপাদন
করতে সক্ষম।
১৯৮২-পূর্ববতী
সময়ে ওষুধ
তৈরির বেশিরভাগ
উপকরণ, কাঁচামাল
কিন্তু এখানে
পাওয়া যেত
না। বিদেশ
থেকে আমদানি
করে আনতে
হয়। বেলজিয়ামের
জনসন অ্যান্ড
জনসনের সিস্টার
কোম্পানি জ্যানসিন
ফার্মাসিউটিক্যালস তখন
শুধু নিজস্ব
আবিষ্কারলব্ধ প্রডাক্ট
বিক্রি করত।
পড়াশোনা শেষ
করার পর
জ্যানসিন থেকে
প্রথম প্রশিক্ষণ
হয় আমার।
তারা স্কয়ারের
সঙ্গে চুক্তি
করে। চুক্তির
অধীনে তারা
আমাদের ওষুধ
উৎপাদনের বিভিন্ন
প্রযুক্তি সরবরাহ
করে। আমাদের
কর্মীদের প্রশিক্ষণ
দেয়। বেলজিয়াম
ও জনসন
অ্যান্ড জনসনের
মূল কারখানা
আমেরিকা নিউজার্সিতে
নিয়ে যায়।
তাদের সঙ্গে
যুক্ত হওয়াটি
ছিল আমাদের
জন্য পরিবর্তনের
বড় সময়।
এর ফলে
স্কয়ারের দক্ষতা
অনেকাংশে বেড়ে
যায়।
তবে ওষুধ
নীতিমালাটি প্রণয়নের
পর দেশের
ওষুধ শিল্পে
বিদেশী বিনিয়োগের
একচ্ছত্র আধিপত্য
প্রশমিত হয়।
ওষুধ নীতি
প্রণয়নের পর
অপ্রয়োজনীয় অনেক
পণ্যের উৎপাদন
বন্ধের সূত্র
ধরে বহুজাতিক
কয়েকটি কোম্পানি
আমাদের এখান
থেকে ব্যবসা
গুটিয়ে নেয়।
অনেকের তখন
ধারণা ছিল
এতে করে
মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত
হবে। এমনকি
মারা যাবে।
কিছুই হয়নি।
তাছাড়া তখন
সরকার খুব
শক্তভাবে বলেছিল,
বাংলাদেশে এটি
বিক্রি করতে
হলে আন্তর্জাতিক
বাজারের দাম
অনুযায়ী আনতে
হবে।
আগে দেশের
ওষুধ শিল্পে
বিদেশী বিনিয়োগের
আধিপত্যের কারণে
অসম প্রতিযোগিতায়
স্থানীয় উদ্যোগ
টিকিয়ে রাখাই
অনেক কঠিন
হয়ে পড়েছিল।
এ কারণে
নীতিটি প্রণয়নের
সময় নানা
দিক থেকে
বিরোধিতারও সম্মুখীন
হতে হয়েছে।
তবে নীতি
প্রবর্তনের পর
এ চিত্র
পুরোপুরি উল্টে
যায়। ভিত
শক্ত করে
বড় হয়ে
ওঠার সুযোগ
পায় দেশী
ওষুধ কোম্পানিগুলো।
স্থানীয় উদ্যোক্তাদের
সামনে তৈরি
হয় লাভজনক
বিনিয়োগ ও
ব্যবসা সম্প্রসারণের
সুযোগ। এক
পর্যায়ে দেশীয়
উদ্যোক্তারাই শিল্পটির
নিয়ন্ত্রণ নিজেদের
হাতে তুলে
নিতে সক্ষম
হন।
আরো যে
উদ্যোগটির প্রশংসা
করতে হয়,
তা হচ্ছে
আমরা কী
দামে কাঁচামাল
কিনব ইত্যাদি
থেকে শুরু
করে যাবতীয়
সবকিছু সরকার
কর্তৃক নিয়ন্ত্রণের
বিষয়টি। তখন
কিন্তু বর্তমানের
মতো এতো
ওয়েবসাইট ছিল
না। এখন
যেমন ওয়েবসাইট
থেকে আন্তর্জাতিক
বাজারমূল্য দেখা
যায়, তখন
তা করা
যেত না।
সে সময়
ওষুধ শিল্পে
সরকারের নিয়ন্ত্রণ
দেশের মানুষের
জন্য সাশ্রয়ী
মূল্যে ওষুধপ্রাপ্তির
পেছনে বড়
ধরনের ভূমিকা
রাখে। পাশাপাশি
তা ওষুধ
শিল্প বিকাশেও
গুরুত্বপূর্ণ অবদান
রেখেছে।
তাছাড়া ওই
সময় আধিপত্যে
থাকা বহুজাতিক
কোম্পানির জন্য
নীতিমালাটি ছিল
বড় ধরনের
ধাক্কা। আগেই
উল্লেখ করেছি,
আমাদের চিকিৎসকরাও
বিশ্বাস করতে
চাইতেন না
যে ওষুধের
মতো একটি
পণ্য বহুজাতিক
ছাড়া স্থানীয়
কোম্পানি উৎপাদন
করতে পারে।
সে বিশ্বাসটি
তৈরিতে ভূমিকা
রাখে ওষুধ
নীতি। বাজারে
ওষুধের মূল্যে
সরকারের কোনো
নিয়ন্ত্রণ ছিল
না, নীতিমালাটির
পরে নিয়ন্ত্রণ
আসে। বলা
যায় বাংলাদেশের
ওষুধ শিল্পে
বৈপ্লবিক পরিবর্তন
যোগ হয়।
১৯৮২-এর
যথাযথ ওষুধ
নীতির সুফল
হিসেবেই এখন
পর্যন্ত বাংলাদেশে
ওষুধ শিল্পের
বিকাশ ঘটছে।
বাংলাদেশে ওষুধ
শিল্প আজ
নিজ পায়ে
দাঁড়িয়ে, যা
সম্ভব হয়েছে
সরকারের সঠিক
পদক্ষেপের জন্য।
দেশে তৈরি
পোশাক খাতের
বিকাশের নেপথ্যেও
সরকারের পদক্ষেপের
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রয়েছে।
বাংলাদেশ এখন
ওষুধ উৎপাদনে
প্রায় স্বনির্ভর।
স্থানীয় মোট
চাহিদার প্রায়
৯৮ শতাংশ
ওষুধ এখন
দেশেই উৎপাদন
হচ্ছে। এ
উৎপাদন কার্যক্রমে
অনুসরণ করা
হচ্ছে বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
(ডব্লিউএইচও) সংজ্ঞায়িত
আদর্শ উৎপাদন
চর্চার (গুড
ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস
বা জিএমপি)।
এজন্য স্কয়ার,
বেক্সিমকোসহ বেশকিছু
ওষুধ কোম্পানি
এরই মধ্যে
নিভর্রযোগ্যতার দিক
থেকে বৈশ্বিক
ওষুধ খাতের
বড় কিছু
সনদ অর্জন
করেছে। এর
মধ্যে উল্লেখযোগ্যগুলো
হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের
এফডিএ, যুক্তরাজ্যের
এমএইচআরএ, ইউরোপের
ইএমএ, অস্ট্রেলিয়ার
টিজিএ, উপসাগরীয়
দেশগুলোর জিসিসি,
ব্রাজিলের আনভিসা
ইত্যাদি।
স্থানীয় চাহিদা
মিটিয়ে বাংলাদেশে
উৎপাদিত ওষুধ
এখন বিদেশে
রফতানি হচ্ছে।
স্থানীয় উদ্যোক্তাদের
বিনিয়োগ এখন
দেশের গণ্ডি
ছাড়িয়ে পৌঁছেছে
বিদেশে। আমেরিকায়
আমাদের বাজার
আছে। ইউরোপের
বিভিন্ন দেশে
রফতানি হচ্ছে।
লাতিন আমেরিকার
বিভিন্ন দেশে
রফতানির সুযোগ
প্রসারিত হচ্ছে।
এক্ষেত্রে ব্যক্তি
খাতের উদ্যোগও
সমান গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রেখেছে।
আমাদের ওষুধ
শিল্পে সেরা
১০ কোম্পানি
কিন্তু বেশ
ভালো অবস্থানে
রয়েছে। স্কয়ারের
পাশাপাশি দেশের
শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের
মধ্যে রয়েছে
হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
লিমিটেড, বেক্সিমকো
ফার্মাসিউটিক্যালস, এসকায়েফ
ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড,
অপসোনিন, ইনসেপ্টা
ফার্মাসিউটিক্যালস, রেনাটা
ইত্যাদি। তবে
নতুন করে
যারা এখানে
আসবে তাদের
জন্য খানিকটা
কঠিন হতে
পারে। প্রতিষ্ঠিত
ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিগুলো
ভালো করছে।
তারা প্রযুক্তির
আধুনিকায়ন করেছে।
জ্ঞান ও
প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ
করছে।
বাংলাদেশে ওষুধ
শিল্পের পাঁচ
দশকের পরিভ্রমণটা
যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং
ছিল। ওষুধ
নীতি প্রণয়ন
বড় ধরনের
ভূমিকা পালন
করেছে। চিকিৎসকরা
বড় ধরনের
সমর্থন দিয়েছেন।
ওষুধের দামের
বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
বাইরে থেকে
বেশির ভাগ
ওষুধ যদি
আজ আমদানি
করে আনতে
হতো, আমরা
কি তা
করতে সমর্থ
হতাম! সর্বোপরি
সরকারি সমর্থনের
কথা বলতেই
হবে। সরকার
যখন একটি
শোভন পরিবেশ
তৈরি করে
দেয়, তখন
একটি শিল্প
বিকাশের সম্ভাবনাও
তৈরি হয়।
পোশাক খাতে
অনেক বেশি
কর্মসংস্থান তৈরি
হয়েছে বলে
এটা সবচেয়ে
বেশী নজরে
আসে। কিন্তু
ওষুধ শিল্পের
বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
দেশের ৯৮
শতাংশ প্রয়োজন
ও চাহিদা
স্থানীয় ওষুধ
শিল্পই পূরণ
করছে। এটি
অনেক বড়
বিষয়, অনেক
বড় অর্জন—যা
সবাইকে স্বীকার
করতেই হবে।
তপন চৌধুরী: স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা





