দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান (এমএসএমই) গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ খাতের উন্নয়ন বাদ দিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে এসডিজি-২০৩০ ও ভিশন ২০৪১-এর সফল বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। কারণ অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও টেকসই শিল্পায়নের মূল চাবিকাঠি এমএসএমই খাত। একমাত্র এমএসএমই খাতের উন্নয়ন হলেই কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব। স্বল্প পুঁজিতে, স্বল্প সময়ে অধিকসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানে এ খাত বেশ ভূমিকা রাখে। বস্তুত এদেশকে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির দেশে পরিণত করার ক্ষেত্রে এসএমই অনুঘটকের ভূমিকা রাখছে।
স্থানীয় পর্যায়ের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিক্রয় ও বাজার সম্প্রসারণের জন্য বেশি বেশি এসএমই মেলার আয়োজন জরুরি। এতে একদিকে যেমন উদ্যোক্তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও যোগাযোগ বাড়ে, অন্যদিকে উদ্যোক্তা ও ভোক্তাদের মধ্যেও তৈরি হয় সেতুবন্ধন।
খুলনায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবস্থা অনেক ভালো—তেমনটা বলা যাবে না। তবে পদ্মা সেতু চালুর পর আশা করা যাচ্ছে, এ অঞ্চলের সব ব্যবসায়ই আমূল পরিবর্তন আসবে।





