বাংলাদেশে এসএমই খাত বিকশিত করতে অন্যতম ভূমিকা রাখছেন নারী উদ্যোক্তারা। একসময় নারীদের শ্রম শুধু গৃহস্থালি কাজে ব্যবহার হতো। সেই শ্রমের আর্থিক মূল্যমান অর্থনীতিতে সংখ্যাতাত্ত্বিকভাবে হিসাব করা হতো না। দেশের নারীরা এখন ঘরের বাইরে এসে নিজেরাই সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে উদ্যোক্তা হিসেবে তারা নিজেদের দক্ষতা, সৃষ্টিশীলতার প্রকাশ ঘটাচ্ছেন। পুরুষের চেয়ে একজন নারীর উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা খুবই কষ্টসাধ্য। এর পরও শুধু সাহস আর নতুন কিছু করার প্রচেষ্টায় নারীরা নিজে উদ্যোগ নিয়ে পণ্য উৎপাদন, বিপণনসহ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশ্বব্যাপী এসএমই খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়ানোর যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে একজন নারী উদ্যোক্তা বিসিক, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত ও উদ্ভাবিত পণ্য বিপণন করতে সক্ষম হয়েছেন। এর পরও চট্টগ্রামের নারী উদ্যোক্তারা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত। উইমেন চেম্বার এরই মধ্যে এমএমই ফাউন্ডেশন, বিভিন্ন ব্যাংক কিংবা সরকারি সহযোগী সংস্থাগুলোর সঙ্গে চুক্তি, সম্পর্কোন্নয়নের মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এমএসএমই দিবসে চট্টগ্রামের অদম্য নারী উদ্যোক্তাদের শুভেচ্ছা জানানো খুবই দরকার।
বাংলাদেশে এসএমই খাত বিকশিত করতে অন্যতম ভূমিকা রাখছেন নারী উদ্যোক্তারা। একসময় নারীদের শ্রম শুধু গৃহস্থালি কাজে ব্যবহার হতো। সেই শ্রমের আর্থিক মূল্যমান অর্থনীতিতে সংখ্যাতাত্ত্বিকভাবে হিসাব করা হতো না। দেশের নারীরা এখন ঘরের বাইরে এসে নিজেরাই সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে উদ্যোক্তা হিসেবে তারা নিজেদের দক্ষতা, সৃষ্টিশীলতার প্রকাশ ঘটাচ্ছেন। পুরুষের





