শুরু থেকে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে ঢাকা ব্যাংক করপোরেট খাতকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এ কারণে আমাদের ব্যাংকের ঋণের বড় অংশ করপোরেট খাতের। দেশের প্রথম সারির রফতানিকারকের উল্লেখযোগ্য অংশ এ ব্যাংকের গ্রাহক। তবে গত কয়েক বছর আমরা এসএমই খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোয় জোর দিয়েছি। ২০২৫ সালের মধ্যে ঢাকা ব্যাংকের ঋণ পোর্টফোলিওর ৩৫ শতাংশ এসএমই ও রিটেইলে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্য অর্জনে এরই মধ্যে বিস্তৃত পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এসএমই উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও ঋণ বিতরণের জন্য আমরা বেশকিছু নতুন প্রডাক্ট চালু করেছি।
উন্নয়নকে টেকসই ও কর্মসংস্থানবান্ধব করে গড়ে তুলতে হলে এসএমই খাতকে অবশ্যই শক্তিশালী করতে হবে। বিশ্বের সব দেশই এখন এসএমই খাতকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্য বিশ্ব এমএসএমই দিবসও প্রবর্তিত হয়েছে। গত কয়েক দশকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিপুল সাফল্য পেয়েছে। তবে বিভিন্ন সমীক্ষায় বলা হয়, প্রবৃদ্ধি হলেও এ সময়ে প্রত্যাশা অনুযায়ী কর্মসংস্থান হয়নি। এমএসএমই খাত শক্তিশালী না হওয়ার কারণেই এটি হয়েছে বলে মনে করা হয়। ঋণপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে দেশের এসএমই উদ্যোক্তারা এখনো কিছুটা অবহেলার শিকার হন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক এরই মধ্যে এসএমই খাতের জন্য বেশকিছু পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে। এসব তহবিলের ব্যবহার নিশ্চিত হলে দেশের এসএমই খাত শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড়াতে পারবে।





