কভিডকালে বিশ্বের অনেক দেশই অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে গেছে। বাংলাদেশের অবস্থা তাদের তুলনায় অনেকটা ভালো। তবে নভেল করোনাভাইরাসকে মোকাবেলা করতে গিয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছেন দেশের মাঝারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। কমে গেছে ব্যবসা ও অর্থনৈতিক লেনদেন। আর লেনদেন না থাকলে অভ্যন্তরীণ ব্যবসায় সফলতা পাওয় যায় না। ব্যবসার প্রসারে এবং ব্যবসায়ীদের টিকিয়ে রাখতে প্রণোদনা ব্যবস্থা ও সহজ শর্তে ব্যাংকঋণ বা বিশেষ ঋণের ব্যবস্থা করা জরুরি।
ভালো ব্যবসা ও কলকারখানা সচল না থাকলে সংকটের মুখোমুখি হতে হয়। আর ব্যবসায়ীরা ভ্যাট ও ট্যাক্স প্রদানে উৎসাহিত না হলে দেশের রাজস্ব আয় অর্জনেও বেগ পেতে হবে। আবার সাধারণ ব্যবসায়ীদের পক্ষে ব্যবসার রাষ্ট্রীয় সব বিধান পরিপালন করা কঠিন। তাই দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য সস্প্রসারণে ব্যবসাবান্ধব সরকারি বিধিবিধান বাস্তবায়ন করা আবশ্যক। তবে এটাও ঠিক, এসএমই ঋণ অনেক ব্যবসায়ীকে বাঁচিয়ে দিয়েছে। অনেক উদ্যোক্তা এ ঋণ নিয়ে সফল হয়েছেন। তাই এসএমই ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের জন্য আরো সহজীকরণ করতে হবে।





