এমএসএমই খাতের একটি বড় অংশই পরিচালিত হচ্ছে ই-কমার্সের মাধ্যমে। করোনা মহামারীর সময় থেকে যেটা আমরা বেশ ভালোভাবে হতে দেখছি। জিডিপিতে এ খাতের বেশ বড় একটি অবদান রয়েছে। আগে এটি ছিল ২৮ শতাংশ, বর্তমানে তা বেড়ে ৩২-৩৩ শতাংশ হয়েছে। করোনা-পরবর্তী সময়ে প্রচুর উদ্যোক্তা ই-কমার্সে এসেছেন। শুধু যদি ফেসবুক কমার্সের কথাই বলি, তাহলে প্রায় চার লাখ উদ্যোক্তা কাজ করছে। যেটা দরকার এখন এসএমই খাতে, সেটি হলো প্রচুর প্রশিক্ষণ ও প্রচারণা। এগুলোয় অনেক জোর দেয়া দরকার। এ খাতে অনেক বেশি সক্ষমতাও বাড়ানো প্রয়োজন, কারণ এখানে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর রয়েছে অর্থায়নের সুযোগ। দেশে যখন এলসি বন্ধ ছিল তখনো কিন্তু এসএমই খাতের উদ্যোক্তারা ঋণ পাচ্ছিলেন। কিন্তু এটি আরো বাড়াতে হবে। এছাড়া ই-কমার্সনির্ভর ছোট বা মাঝারি উদ্যোক্তারা যারা আছেন তাদেরও গুরুত্ব দিতে হবে। অন্য উদ্যোক্তারা যে সহায়তা পান (ঋণ বা অন্যান্য) সেটি এদেরও দিতে হবে। তা না হলে এখানে একটি চ্যালেঞ্জের জায়গা তৈরি হবে। এমএসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য আরো একটি বড় বিষয় হচ্ছে বাজার ব্যবস্থায় (অ্যাকসেস টু মার্কেট) তাদের সহজে আসার সুযোগ করে দেয়া। এটি নিয়ে এসএমই ফাউন্ডেশন কাজ করছে। অনেক কাজ হয়েছে এরই মধ্যে কিন্তু আরো বেশি কাজ করা প্রয়োজন। এসএমই ব্যবসা যারা করেন তারাই কিন্তু দেশের অর্থনীতির চাকাকে অনেকটাই চালু রেখেছেন।