দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস উপলক্ষে অভিনন্দন জানাই। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উদ্যোক্তারা নানাবিধ সমস্যার মধ্যে দিয়ে সময় পার করছেন। কভিডকালীন অর্থনৈতিক পটপরিবর্তনে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছেন এসএমই উদ্যোক্তারা। সে প্রতিবন্ধকতা শেষে যখনই তারা আশার আলো দেখছিলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সে আলোকে আরো ক্ষীণ করে দিয়েছে। বর্তমান সময়ে এসএমই উদ্যোক্তারা আরো বেশি কঠিন অবস্থায় নিপতিত। আমরা বিশ্বাস করি, এ কঠিন সময় কাটিয়ে উঠে আগামী বছর থেকে হয়তো একটু ভালো অবস্থানে আসতে পারব। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের মালিকরা তাদের কর্মদক্ষতা ও উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অবস্থার পরিবর্তন আনবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। সিএমএসএমই খাতে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, নীতি সংস্কার, অর্থায়নে সহায়তা, প্রণোদনা প্যাকেজের অর্থ বিতরণ, ক্লাস্টার উন্নয়ন, রফতানি বৈচিত্র্যকরণ, বাজার উন্নয়নবিষয়ক গবেষণা, এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও সিএমএসএমইর সক্ষমতা তৈরির জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে যথাযথ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে জিডিপিতে এমএসএমই খাতের অবদান ৩২ শতাংশে উন্নীত করা ও ২০২৬ পরবর্তী এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য এসএমই বন্ড চালু করা এখন সময়ের দাবি।
দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস উপলক্ষে অভিনন্দন জানাই। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উদ্যোক্তারা নানাবিধ সমস্যার মধ্যে দিয়ে সময় পার করছেন। কভিডকালীন অর্থনৈতিক পটপরিবর্তনে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছেন এসএমই উদ্যোক্তারা। সে প্রতিবন্ধকতা শেষে যখনই তারা আশার আলো দেখছিলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সে আলোকে আরো ক্ষীণ করে দিয়েছে। বর্তমান সময়ে





