সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অংশগ্রহণ লক্ষণীয়ভাবে বাড়ছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলোর মোট বিনিয়োগের ২০ শতাংশই এ খাতে, আগামী বছরে যা ২৫ শতাংশে নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নভেল করোনাভাইরাস-পরবর্তী সময়ে এসএমই খাতের উদ্যোক্তা দৃশ্যমানভাবে বেড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও বৈশ্বিক ডলার সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে আমদানিনির্ভর ব্যবসা যখন প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করছে, তখন দেশের এসএমই খাত প্রত্যাশার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে এ সফলতা বাংলাদেশে ব্যাংকের নীতি বাস্তবায়ন ও ব্যাংকগুলোর সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফসল বলে আমি মনে করি। সরকারও কভিড-১৯-এর শুরুতে ২০২০ সালে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করে। এক্সিম ব্যাংক এসএমই খাতে এ পর্যন্ত তিন হাজার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টির পাশাপাশি প্রায় ৮ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। বিনিয়োগ প্রদানে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ পূরণ করতে পারায় ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রশংসাপত্রও লাভ করেছে এক্সিম ব্যাংক। এভাবে এসএমই খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে সবাইকে অর্থনৈতিক উদ্যোগের মধ্যে আনতে পারলেই আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবসের প্রতিপাদ্য সার্থক হবে বলে আমি মনে করি। আমি আন্তর্জাতিক এসএমই দিবস ২০২৩-এর সফলতা কামনা করছি।