নতুন আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে লংকান অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সের পথচলা পাঁচ বছরের। ফলে তুলনামূলকভাবে এসএমই খাতে আমাদের অবস্থান খুব বেশি বিস্তৃত হয়নি। আমরা দেশী-বিদেশী উদ্যোগে গঠিত একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। আমাদের কার্যক্রম পরিচালনায় অনুশাসন ও সুশাসন কঠোরভাবে মেনে চলা হয়। ফলে আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারি। আমাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণও অনেক কম। বর্তমানে লংকান অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সের একটিমাত্র শাখা রয়েছে। এসএমই খাতে প্রত্যক্ষ অর্থায়ন করতে গেলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অধিকসংখ্যক শাখার প্রয়োজন। তাই আমরা এসএমই খাতে অর্থায়নের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর (এমএফআই) সহায়তা নিয়ে থাকি। এমএফআইগুলো এসএমই, মাইক্রো, নারী, কৃষি, মৎস্য ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবেলায় অর্থায়ন করে। এসএমই, কৃষি ও নারী উদ্যোক্তাদের আমরা ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী এমএফআইর মাধ্যমে অর্থায়ন করি। এক্ষেত্রে ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে আমরা একটি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছি। সব মিলিয়ে আমাদের পোর্টফোলিওর ৩৪ শতাংশ এসএমই খাতে অর্থায়ন করা হয়েছে। শাখার সংখ্যা বাড়লে ভবিষ্যতে এসএমই খাতে আমাদের প্রত্যক্ষ অর্থায়নের পরিমাণ আরো বাড়বে। তবে তার আগ পর্যন্ত আমরা এমএফআইগুলোর মাধ্যমে এ খাতে অর্থায়ন অব্যাহত রাখব। প্রতি বছরই এটি বাড়ছে। সামনে আরো বাড়বে। ভবিষ্যতে এসএমই খাতের নারী উদ্যোক্তাদের আরো বেশি অর্থায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমগুলো সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা রাখি।
নতুন আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে লংকান অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সের পথচলা পাঁচ বছরের। ফলে তুলনামূলকভাবে এসএমই খাতে আমাদের অবস্থান খুব বেশি বিস্তৃত হয়নি। আমরা দেশী-বিদেশী উদ্যোগে গঠিত একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। আমাদের কার্যক্রম পরিচালনায় অনুশাসন ও সুশাসন কঠোরভাবে মেনে চলা হয়। ফলে আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারি। আমাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণও অনেক কম। বর্তমানে লংকান





