ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে মূলধন জোগানের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি ও বেকারত্ব দূরীকরণে ভূমিকা রাখছে এসএমই খাত। যেকোনো দেশের জন্য খাতটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। যে দেশে এসএমই খাত যত শক্তিশালী হয়, সে দেশের অর্থনীতি তত বেশি শক্তিশালী হয়। আমাদের দেশে এসএমই খাতকে এগিয়ে নিতে হলে অনলাইনে ব্যবসা করার যে ধারা শুরু হয়েছে সেটিকে বেগবান করতে হবে। এখানে অনেক নারী উদ্যোক্তা হিসেবে আসছেন। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে পণ্য বাজারজাতের জায়গাটাকে যেভাবে এসএমই উদ্যোক্তারা বড় করেছেন, সেটিকে আমরা খুব ইতিবাচকভাবে দেখি। তবে কভিডকালীন এ খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। তাই এসএমই খাতকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে এখানে অনেক বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। আরো অনেক জায়গা রয়েছে, যেখানেও বিনিয়োগ হওয়া প্রয়োজন। এসএমই উদ্যোক্তারা তাদের পণ্যের গুণগতমান উন্নত করার জন্য ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছেন। কিছুসংখ্যক উদ্যোক্তা তাদের উৎপাদিত পণ্য সম্প্রতি বিদেশে রফতানি শুরু করেছেন। এমএসএমই দিবস উপলক্ষে এ খাতের সব উদ্যোক্তাকে শুভেচ্ছা জানাই। আমরা সবাই মিলে এ খাতকে ঠিকই এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে মূলধন জোগানের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি ও বেকারত্ব দূরীকরণে ভূমিকা রাখছে এসএমই খাত। যেকোনো দেশের জন্য খাতটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। যে দেশে এসএমই খাত যত শক্তিশালী হয়, সে দেশের অর্থনীতি তত বেশি শক্তিশালী হয়। আমাদের দেশে এসএমই খাতকে এগিয়ে নিতে হলে অনলাইনে ব্যবসা করার যে ধারা শুরু হয়েছে সেটিকে বেগবান করতে হবে। এখানে অনেক নারী





