ম্যাক্রো ইকোনমি ব্যবস্থার মধ্যে কিছুটা বিচ্যুতি ঘটেছে। ফলে যেভাবে আমরা ব্যবসা করতে পারব বলে মনে করেছিলাম সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। এ আট মাসের চিত্র দেখে আমার মনে হয় না যে বছর শেষে আমরা টার্গেট পূরণ করতে পারব। আগের বছরের তুলনায় কিছুটা ভালো, তবে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চলতি বছর প্রত্যাশা পূরণ হবে না। মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষ এ-জাতীয় বিনিয়োগে কম যাচ্ছে। নির্মাণ খরচও বেড়েছে। এ মুহূর্তে মানুষ বড় ধরনের ব্যয় করছে না। এ কারণে ব্যবসা কিছুটা ধীরগতি। কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছাতে পারছি না। ম্যাক্রো ইকোনমির একটা বৈশিষ্ট্য হলো দীর্ঘদিন পর্যন্ত দুরবস্থা থাকে না। এর একটি উত্থান-পতন আছে। এখন আমরা যে অবস্থায় আছি এটিও ওভারকাম করবে। সঙ্গে সঙ্গে স্থিতিশীলতাও আসবে। আর আসন্ন নির্বাচনের পর হয়তো স্টাবল অবস্থায় আসবে। মানুষ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেবে। বিনিয়োগ ও ব্যয় বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেবে এবং আবাসন খাত বেশ ভালো করবে বলে আমি মনে করি। বিভিন্ন সেক্টরে আমাদের অর্থায়ন রয়েছে। হাউজিং ছাড়াও আমরা এসএমই খাতেও অর্থায়ন করি। তবে ৮০ শতাংশই আবাসন খাতে অর্থায়ন করি। আমরা প্রতিটা বিভাগে ব্রাঞ্চ করব। এরই মধ্যে আমাদের ছয়-সাতটি বিভাগে অফিস হয়ে গেছে। আমরা শরিয়াহভিত্তিক ফাইন্যান্সের দিকে যাচ্ছি। এগুলো করার জন্য আমরা প্রাথমিক অনুমোদনও পেয়েছি। আমরা সাশ্রয়ী আবাসনের দিকে যাচ্ছি। হাউজিং মৌলিক চাহিদা, সুতরাং প্রত্যেক পরিবারকে এদিকে আসতেই হয়। তাই এ খাতে সম্ভাবনা অনেক বেশি।