আমি ২০০৬ সাল থেকে এখানে কাজ করছি। বাংলাদেশে প্রথম কার্ডিয়াক সিটি এনজিওগ্রাম আমরাই শুরু করি। কার্ডিয়াক সিটি এনজিওগ্রাম মানে হচ্ছে হার্টের ধমনিগুলোকে সিটি মেশিনের মাধ্যমে দেখা। সিটি মেশিনের মাধ্যমে আমরা এনজিওগ্রাম করি, পুরো শরীর সিটি করি এবং পুরো শরীর সিটি এনজিওগ্রাম করি। এর মাধ্যমে আমরা আবার সেরিব্রাল এনজিওগ্রাম করি, যেটা নিউরোসার্জনের প্রয়োজন। আমরা করোনারি সিটি এনজিওগ্রাম করি, যেটা আমাদের দিয়ে থাকেন কার্ডিওলজিস্টরা। করোনারি সিটি এনজিওগ্রামের মাধ্যমে প্রথমে আমরা একটা ক্যালসিয়াম স্কোর করি, আমরা দেখি কী পরিমাণ ক্যালসিয়াম আছে, যদি হার্টে ক্যালসিয়ামটা বেশি থাকে তাহলে বুঝতে হবে ওই ব্যক্তির করোনারি ডিজিজ থাকবে। ক্যালসিয়ামে স্কোর করার পর আমরা করোনারি সিটি এনজিওগ্রাম করি। এটার মাধ্যমে ধমনি কী পরিমাণ সরু হয়ে গেছে তা নির্ণয় করি। এসব সুবিধা আমাদের হাসপাতালে আছে। এছাড়া আমাদের এখানে ফিটাল ইকো হচ্ছে।

আমরা এখানে পেডিয়াট্রিক সিটি করি। পেডিয়াট্রিক সিটিতে অ্যানেস্থেসিয়া লাগে। সে অ্যানেস্থেসিয়ার সিস্টেম আমরা করছি, প্রি অব অ্যানেস্থেসিয়া দিই, পোস্ট অব রোগীদের জন্য একটা রুম বানিয়ে দিই, সে রুম বাংলাদেশের আর কোথাও নেই।

অধ্যাপক ডা. নওশীন সিরাজ

হেড অব রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং