একমো শব্দটির পূর্ণরূপ এক্সট্রা করপোরিয়াল মেমব্রেন অক্সিজেনেশন। দেশের চিকিৎসা খাতে তুলনামূলক নতুন শব্দ এটি। খুব ক্রিটিক্যাল ও ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব এর মাধ্যমে। মানুষের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি অঙ্গ হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস। প্রথমটি খাবার থেকে আসা পুষ্টি এবং দ্বিতীয়টি বাতাস থেকে আসা অক্সিজেন নিয়ে কাজ করে। বায়ুমণ্ডল থেকে যে অক্সিজেন আমাদের রক্তের সঙ্গে মেশাতে কাজ করে ফুসফুস, সেই অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত ও খাদ্যের পুষ্টিগুণটা পাম্পিংয়ের মাধ্যমে শরীরের সব কোষে পৌঁছে দেয় হৃৎপিণ্ড। জীবনকে ধরে রাখতে পদ্ধতিটি গুরুত্বপূর্ণ। একমো হৃৎপিণ্ড আর ফুসফুসের সাময়িক বিকল্প কাজের মাধ্যম। তবে এটি ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, অন্তত যাদের ক্ষীণ হলেও বেঁচে ওঠার সম্ভাবনা আছে। কোনো ব্যক্তি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মুমূর্ষু হয়ে পড়লে দ্রুত একমো সাপোর্টের প্রয়োজন হয়। ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়ে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা ফুরিয়ে গেলেও বিকল্প হিসেবে সাময়িকভাবে সাপোর্ট দেয়া যায়। ফুসফুসকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর্যায়ে নেয়া পর্যন্ত একমো জরুরি। কভিডের সময় অনেকেই আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে ভর্তি হয়েছে, নানাভাবে নিয়েছে অক্সিজেন সেবা। সেখানে একমো পালন করেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। কারো হৃৎপিণ্ড বা ফুসফুস সাময়িকভাবে বিকল হয়ে পড়লে একমো সাপোর্টের মাধ্যমে বাঁচানোর সুযোগ নেয়া যেতে পারে। তবে এর মাধ্যমে উপকারের পাশাপাশি ঝুঁকির মাত্রাও বাড়তে বাড়ে, সেদিকে নজর রাখতে হয়। একমো দেয়া হলেও রোগীর মৃত্যুহার ৪০-৬০ শতাংশ থেকে যায়। কিন্তু দেয়া না হলে মৃত্যুহার থাকত ৮০-১০০ শতাংশ। এ থেকে বোঝা যায়, একমো অতিসংকটাপন্ন রোগীদের জন্য মুক্তির উপায় হতে পারে। বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা যায় এক-তিন মাস। এক্ষেত্রে সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সাপোর্ট সিস্টেম নিয়ে এসেছে ইউনাইটেড হসপিটাল।
একমো শব্দটির পূর্ণরূপ এক্সট্রা করপোরিয়াল মেমব্রেন অক্সিজেনেশন। দেশের চিকিৎসা খাতে তুলনামূলক নতুন শব্দ এটি। খুব ক্রিটিক্যাল ও ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব এর মাধ্যমে। মানুষের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি অঙ্গ হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস। প্রথমটি খাবার থেকে আসা পুষ্টি এবং দ্বিতীয়টি বাতাস থেকে আসা অক্সিজেন নিয়ে কাজ করে। বায়ুমণ্ডল থেকে যে অক্সিজেন আমাদের রক্তের সঙ্গে মেশাতে





