একসময় আমি দেশের বাইরে কাজ করেছি। ২০০৪-এর শেষের দিকে আমি যখন দেশে ফিরছিলাম, উড়োজাহাজে বসে আমার মনে হচ্ছিল যে আমি কেন দেশে ফিরছি? কারণ যে কাজগুলো আমি বাইরে শিখে এসেছি, সে কাজগুলোর জন্য মেশিনারিজ, সাপোর্টিং ডিভাইস ইত্যাদি তখনো পর্যন্ত আমাদের দেশে পর্যাপ্ত ছিল না।

দেশে ফিরে দেখি, হৃদরোগের চিকিৎসার ব্যাপারে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। আমাদের বেসরকারি খাতগুলো এ ব্যাপারে বেশ এগিয়ে এসেছে। আমাদের বিখ্যাত কার্ডিওলজিস্টরাও দেশে হৃদরোগের উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের ব্যাপারে সবাইকে উৎসাহ জোগানো শুরু করেছেন। বর্তমানে আমাদের দেশে হৃদরোগের চিকিৎসা আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের কাছাকাছি চলে এসেছে। অনেক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান পুরোটাই আমরা অর্জন করেছি। ইউরোপে আমি দীর্ঘ সময় কাজ করেছি। সেখানকার চিকিৎসকদের সঙ্গে কনফারেন্স, ওয়েবিনার ইত্যাদির মাধ্যমে আমরা যুক্ত। তাই তাদের কাজ ও আমাদের কাজের মান এখন আমি তুলনা করতে পারি।

আমাদের দেশে বর্তমানে হৃদরোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের যন্ত্রপাতি ও গবেষণা কার্যক্রম আছে। হৃদরোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে আমাদের দেশ খুবই স্ট্রাকচারড ফরম্যাটের ভেতর দিয়ে এগোচ্ছে। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। আমি আশা করি, এক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের কাজের কোনো পার্থক্য থাকবে না।

অধ্যাপক ডা. মো. সাইদুর রহমান খান

সিনিয়ার কনসালট্যান্ট, ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি