ক্যান্সারের হওয়ার নির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি।  কিছু কিছু ফ্যাক্টর আছে। যেমন জন্মগতভাবে কিছু কিছু জিনে যদি পরিবর্তন হয়ে থাকে, বিআরসিএ ১ ও ২-এ যদি পরিবর্তন হয়ে থাকে, আবার বাবা-মার কাছ থেকে যদি পেয়ে থাকে এবং এ রোগীর শরীরে যদি জিন থাকে তাহলে তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার, ওভারি ক্যান্সার ইত্যাদি হয়। এছাড়া পরিবেশগত কিছু কারণ আছে। কিছু কিছু জীবাণুর কারণে ক্যান্সার হতে পারে। যেমন প্যাপিলোমা ভাইরাসের কারণে মেয়েদের জরায়ুমুখ ক্যান্সার হয়। 

ক্যান্সার সাধারণত ৪০ বা তার বেশি বয়সী রোগীদের হয়ে থাকে। স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে আমরা যদি দ্রুত বের করতে পারি তাহলে তা দ্রুত নিরাময় করা। অথবা লক্ষণ দেখা দেয়ার আগেই যদি আমরা ক্যান্সারের রোগীর ইতিহাস দেখে তার উপসর্গ কী হতে পারে একটা স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করতে পারি তাহলে আমরা দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারব এবং রোগটাকে পুরোপুরি নির্মূল করা যাবে। 

মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিম অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে ক্যান্সারের চিকিৎসা দেয়া হয়। কিছু ক্যান্সারের সরাসরি চিকিৎসা দেয়া হয়। ক্যান্সার নিরাময় হলেও রোগীকে আমরা ফলোআপে থাকতে বলি। আবার কিছু কিছু ক্যান্সার ২-১০ বছর পর আবার ফিরে আসে। কিছু ক্যান্সার আছে যা নির্মূলযোগ্য নয়। শুধু উপসর্গ নির্ণয় করতে হয়। এ রোগীদের প্যালিয়েটিভ কেয়ারের মাধ্যমে আমাদের সার্ভিস দিতে হয়। এসব পর্যায়ের চিকিৎসা ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালে হয়ে থাকে। এখানে বিশ্বমানের চিকিৎসা দেয়া হয়।