দেশের পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানির সংখ্যা বেশ কম। এসব কোম্পানির অধিকাংশই পুঁজিবাজারে এসেছে অনেক আগে। গত ১৫ বছরে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ভালো কোম্পানির সংখ্যা হাতেগোনা। ফলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ বেশ সীমিত। এ কারণে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও ক্রমেই কমছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর দেশের বিভিন্ন খাতে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের পুঁজিবাজারকে সংস্কারের মাধ্যমে ভালো কোম্পানির বাজারে পরিণত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের পুঁজিবাজারে বর্তমানে ৩৬০টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১৪৯টি কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি মূলধন সংগ্রহ করেছে। এসব আইপিওর অধিকাংশই আবার এসেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কশিমনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেনের মেয়াদে। এর মধ্যে অনেক কোম্পানিই বর্তমানে আর্থিকভাবে দুর্বল ও ভগ্ন অবস্থায় রয়েছে। উৎপাদন বন্ধ রয়েছে বেশকিছু কোম্পানির। এসব কোম্পানি পুঁজিবাজার থেকে যে মূলধন সংগ্রহ করেছে তার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গেছে ঋণ পরিশোধে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে আইপিওর মাধ্যমে নেয়া অর্থ ভিন্ন খাতে ব্যবহারের ঘটনাও ঘটেছে। সব মিলিয়ে গত ১৫ বছরে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানির তালিকাভুক্তির মাধ্যমে যে পরিমাণ মূলধন উত্তোলন করা হয়েছে তার উল্লেখযোগ্য একটি অংশ ব্যবসা সম্প্রসারণের কাজে ব্যবহার হয়নি। এতে পুঁজিবাজার থেকে নেয়া অর্থ ব্যবসায় বিনিয়োগ না হওয়ার ফলে কোম্পানির আর্থিক অবস্থার অনেক ক্ষেত্রেই উন্নতি হয়নি। তাছাড়া প্লেসমেন্ট শেয়ার, ঘুস ও অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে এ সময়ে পুঁজিবাজারে বেসরকারি খাতের অনেক ভালো প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী হয়ে ওঠেনি। বহুজাতিক কোম্পানিগুলোও এসব কারণে পুঁজিবাজার থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখেছে। এতে দেশের পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগ করার মতো ভালো কোম্পানির বেশ অভাব ছিল। আর এ সুযোগে মন্দ কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা ও বাজারের একশ্রেণীর কারসাজিকারীদের যোগসাজশে সেকেন্ডারি মার্কেটে শেয়ারদর কারসাজির বড় একটি চক্র গড়ে উঠেছে। এদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন অনেক বিনিয়োগকারী। এ অবস্থায় দেশের পুঁজিবাজারকে সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব করে তোলার জন্য ভালো কোম্পানির শেয়ারের জোগান বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ও বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘পুঁজিবাজারের গভীরতা বাড়াতে হবে। এজন্য সরকারি ও বেসরকারি ভালো কোম্পানিগুলোকে আইপিওর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত করতে হবে। সরকারি কিছু ভালো কোম্পানি রয়েছে কিন্তু তারা পুঁজিবাজারে আসতে চায় না। তাদের পুঁজিবাজারে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি সেকেন্ডারি মার্কেটে লেনদেনের ক্ষেত্রে যাতে কোনো কারসাজি না হয় সেটি নিশ্চিত করতে হবে। হঠাৎ করে শেয়ারদর বাড়ানোর মাধ্যমে কেউ যাতে অনৈতিক সুবিধা নিতে না পারে সেটি দেখতে হবে। এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করা সম্ভব হলে তা পুঁজিবাজারকে গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।

১৯৯৩ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিতে যতজন চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করেছেন তার মধ্যে ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম ও ফারুক আহমেদ সিদ্দিকীর সময়কাল সবচেয়ে ভালো হিসেবে অভিহিত করেছেন অংশীজন ও বিএসইসির কর্মকর্তারা। এ সময়ে সুশাসন নিশ্চিতের পাশাপাশি বেশকিছু ভালো কোম্পানির আইপিও তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে তারা ভূমিকা রেখেছেন। তাছাড়া এ সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অনিয়মকে প্রশ্রয় দেয়ার ঘটনা দেখা যায়নি। বিএসইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন কোনো কোম্পানির আইপিও আবেদন এলে সেক্ষেত্রে কমিশনের কর্মকর্তাদের অনানুষ্ঠানিকভাবে সেই কোম্পানির কারখানা দেখে আসার নির্দেশ দিতেন সংস্থাটির তৎকালীন চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী। কোম্পানির দেয়া তথ্যের সঙ্গে কারখানা পরিদর্শন করে আসা কর্মকর্তার মতামতে সামঞ্জস্য থাকলেই তিনি আইপিও অনুমোদন করতেন।

সামনের দিনগুলোয় বিএসইসির করণীয় কী জানতে চাইলে সংস্থাটির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘পুঁজিবাজারে কারসাজি বন্ধ করতে হবে। স্বচ্ছতার সঙ্গে যাতে লেনদেন করা সম্ভব হয়। বাজারে যতটা সম্ভব কম হস্তক্ষেপ করা যায় ভালো। সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করাটা জরুরি। আইন ও বিধিবিধান অনেক আছে কিন্তু অতীতে এর প্রয়োগে ঘাটতি ছিল। তাই আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।’

একটি দেশের পুঁজিবাজার কতটা সমৃদ্ধ সেটি নির্ভর করে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানির সংখ্যা ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রণের ওপর। বাংলাদেশে দুইশর বেশি বহুজাতিক কোম্পানি ব্যবসা করলেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে মাত্র ১৩টি। এছাড়া বিভিন্ন খাতের দেশীয় শীর্ষ কোম্পানিগুলোর সিংহভাগই এখনো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি। যদিও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়াটাকে কোম্পানিগুলো তাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ও মর্যাদার অংশ হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। অনিয়ম ও কারসাজি, ঘন ঘন নীতির পরিবর্তন ও সুশাসনের অভাবের কারণেই ভালো স্থানীয় ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে আসতে আগ্রহী হয় না বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। তাছাড়া কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকার বেশি হলে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত হওয়া এবং ৫০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করার আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল। যদিও ২০১৫ সালে খায়রুল কমিশন বিদেশী মালিকানাধীন কোম্পানি এবং বিদেশী বিনিয়োগ রয়েছে এ ধরনের যৌথ মালিকানার কোম্পানির ক্ষেত্রে এ নিয়ম পরিপালন থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। এতে এসব কোম্পানি দেশের পুঁজিবাজারে আসার আইনি বাধ্যবাধকতা ছাড় পেয়েছে, যা প্রকারান্তরে বিনিয়োগকারীদের ভালো শেয়ারে বিনিয়োগ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছে। এছাড়া তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে কর ব্যবধান কমানোর মাধ্যমেও পুঁজিবাজারে আসার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। লভ্যাংশ বেশি দিলে একসময় কর অব্যাহতি পাওয়া যেত, যা পরবর্তী সময়ে রহিত করা হয়েছে। এটিও তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে ভালো কোম্পানিকে নিরুৎসাহিত করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যেকোনো দেশের পুঁজিবাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ মিউচুয়াল ফান্ড। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের তহবিল সংগ্রহ করে অভিজ্ঞ ও দক্ষ সম্পদ ব্যবস্থাপকরা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেন। এতে পুঁজিবাজার সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান না থাকা বিনিয়োগকারীরাও তাদের সঞ্চয় বিনিয়োগের মাধ্যমে লাভবান হন। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের কাছেও মিউচুয়াল ফান্ড বেশ জনপ্রিয়। যদিও আমাদের দেশের চিত্র পুরোপুরি বিপরীত। নিয়ন্ত্রক সংস্থার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে মিউচুয়াল ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপকরা অনিয়মের মাধ্যমে ফান্ডের অর্থ তছরুপ করেছেন। ফলে মিউচুয়াল ফান্ড খাতের প্রতি আগ্রহ হারিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। পুঁজিবাজার সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশের মিউচুয়াল ফান্ড খাতকে ঢেলে সাজানোর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. আবু আহমেদ বণিক বার্তাকে বলেন, গত ১৫ বছরে দেশের পুঁজিবাজার ৩০ শতাংশের মতো সংকুচিত হয়েছে। মিউচুয়াল ফান্ড একসময় বিনিয়োগের জন্য ভালো একটি পণ্য ছিল, যা এখন আর নেই। অনেক ব্যাংকের শেয়ারে বর্তমানে বিনিয়োগের অবস্থা নেই। বীমা ও বিদ্যুৎ খাতের শেয়ারেও একই অবস্থা। ফলে বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগের সুযোগ সংকুচিত হয়ে আসছে। বিগত সময়ে হাজার হাজার বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজার ছেড়ে চলে গেছে। বিদেশী বিনিয়োগকারীরাও বাজার ত্যাগ করেছে। আমাদের এখানে নীতিতেই গলদ রয়েছে। তাই পুঁজিবাজারকে ভালো করতে হলে ভালো শেয়ারের জোগান বাড়াতে হবে। যাদের যোগ্যতা ও দক্ষতা রয়েছে তাদের মিউচুয়াল ফান্ডের লাইসেন্স দিতে হবে। অন্যদিকে যারা পারফর্ম করতে পারছে না এবং বিনিয়োগকারীদের ন্যূনতম ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হচ্ছে সেসব ফান্ড ম্যানেজারদের অপসারণ করে ফান্ডগুলোকে অবসায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। পুঁজিবাজারে সরকারি শেয়ারের জোগান বাড়াতে হবে। পাশাপাশি প্রণোদনা ও নিয়ন্ত্রক বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসতে হবে। সংখ্যায় কম হলেও ভালো আইপিও পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। প্লেসমেন্ট শেয়ার দুর্নীতির হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। এটি বন্ধ করে দেয়া উচিত। সব মিলিয়ে সমন্বিত একটি প্রচেষ্টার প্রয়োজন, যাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর দেশের আর্থিক খাত ও পুঁজিবাজারে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষ পদগুলোয় সম্প্রতি পরিবর্তন হয়েছে। পদত্যাগ করেছেন দুই স্টক এক্সচেঞ্জের স্বতন্ত্র পরিচালকরাও। সুশাসন নিশ্চিতের পাশাপাশি অনিয়ম ও কারসাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনার গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়েছে বিএসইসির ওপর। বিভিন্ন সময়ে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও অনিয়মের সহযোগী হিসেবে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইমেজ পুনরদ্ধার করাটাও গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার, মার্চেন্ট ব্যাংক, সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি এবং দুই স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যক্রমে সুশাসন নিশ্চিত করাটাও পুঁজিবাজারের উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

দায়িত্ব নেয়ার পর সম্প্রতি পুঁজিবাজার নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন বিএসইসির চেয়ারম্যান রাশেদ মাকসুদ। জানতে চাইলে তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমি প্রথমেই সুশাসন ও কমপ্লায়েন্সের দিকে জোর দিতে চাই। আমরা কোর অপারেশনাল এরিয়া ও নন কোর এরিয়া এই দুই ভাগে আমাদের কাজগুলোকে ভাগ করব। কোর অপারেশনাল কাজগুলোর মধ্যে প্রথমেই আসবে স্বচ্ছতার বিষয়টি। সব ধরনের লেনদেন, চুক্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের কারসাজি হচ্ছে কিনা, কেউ তার দায়িত্বের অপব্যবহার করছে কিনা সেটি নজরদারি করা হবে। দ্বিতীয় যে বিষয়টি আছে সেটি হলো সুশাসন নিশ্চিত করা। সুশাসনের বিষয়টি প্রথমে নিজেদের ঘর থেকেই শুরু করতে চাই। অতীতে পুঁজিবাজারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেসব অনিয়ম হয়েছে সেগুলোর বিষয়ে একটি বিশদ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কীভাবে এটি করা যায় সেটি নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমাদের অনেক আইনকানুন আছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও কীভাবে এসব অনিয়ম হয়েছে সেই ফাঁকফোকর খুঁজে বের করতে হবে। এসব ফাঁকফোকর যদি বন্ধ না করি তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ আবারো হতে পারে।’