সুলতানের জীবন রহস্যাবৃত, অনেকাংশ প্রহেলিকাময়। কিন্তু তাঁর ছবিতে নেই দূর-নির্ণেয় প্রপঞ্চ। তাঁর ছবির প্রধান বিষয় মানুষ— বলা যায় মানুষ ছাড়া আর কিছুই তিনি চিত্রার্পিত করেননি। শিল্পীজীবনের উদয় প্রহরে কখনো যদি বা প্রকৃতি ও আরো অনেক কল্পনার রঙে তিনি বর্ণিল করেছিলেন ক্যানভাস, কিন্তু পরিণত পর্বে হূদয়ঙ্গম করেছেন এই সত্য যে, তাঁর শিল্পযাত্রার গন্তব্য মানুষ। তবে একটা প্রশ্ন আমাদের ভাবায় তা হলো, জীবন-সত্য আর শিল্প-সত্যের সেতু তিনি কীভাবে গড়েছেন? যে জীবন সৃষ্টি করেছে, সেই জীবনের সংবাদ না জেনে কি সেই সৃষ্টির অন্তর্লীন সারবস্তুর মর্ম বোঝা সম্ভব!

সুলতানের শৈশব কেটেছে কষ্টে। শোনা যায়, সত্মা তাকে মাতৃত্বের সততায় লালন করেননি। বাবা ছিলেন নড়াইলের জমিদারদের রাজমিস্ত্রি। নড়াইলের চিত্রানদীর পাড়ে আশৈশব দেখেছেন তিনি কৃষিবাংলা, জেলেবাংলার চিত্র। শৈশবেই প্রকৃতি তাকে প্রণোদনা দেয় ছবি আঁকার। সংবেদী মানুষের পক্ষে কোনো কিছু রচনা না করে বোধহয় বেঁচে থাকাই অসম্ভব। আমরা যদি একটা হিসাব নেই, কত মানুষ গান গাইতে পারে অথবা বুনতে পারে নিত্যদিনের প্রয়োজনের কোনো সামগ্রী, তা হলে সেই সংখ্যাটা হবে বিপুল। নাতিশীতোষ্ণ নদীমাতৃক বাংলার জলধারা আর শ্যামল প্রকৃতি আর ফুল-ফসলের রঙ, ঘ্রাণ, স্পর্শ, আমাদের জন্য শিল্প রচনার পথটা অপেক্ষাকৃত বেশি সুগম করে রেখেছে। এ সংবেদী সমষ্টির মধ্যে কারো মনে সেই সৃজন আবেগ আবার প্রমত্তা নদীর মতোই ডাগর স্রোতে উত্তাল হয়ে ওঠে। অসুখী শৈশবে সুলতানের বেঁচে থাকার নির্ভরতা হয়ে গিয়েছিল ছবি আঁকা। আঁকতে আঁকতে সৃজনের আগ্রহ একরোখা হয়ে ওঠে। মন বলে, আমি চিত্রকর হব। তার পর জীবন একদিন কলকাতায় যায়। আর্ট স্কুলে ভর্তি হয়। তিন বছর অধ্যয়ন করে উজ্জ্বল মেধার পরিচয় দিয়ে জীবন আবার বিসর্জন দেয় আর্টের একাডেমিকে। কেননা তখন মনে হয়েছিল, শিল্প ছড়িয়ে আছে ভুবনময়। পাঠশালা তো এই বিশ্বলোক। কেন আর ইংরেজের ভিক্টোরীয় দালানকে জীবনকে বেঁধে রাখা! জমিদারদের পরিচয়-সূত্রে সুখ্যাত সোহরাওয়ার্দী পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল বলে জীবন তার যতটা সচ্ছলতা চায়, ততটাই পেয়েছিল। ক্যাডিলাক গাড়ি চড়ে কুর্তা গায়ে কলকাতায় সুলতান সুলতানের মতোই জীবন পেয়েছিলেন। কিন্তু সেই জীবনকে তিনি বললেন, নৈব, নৈবচ।

এনায়েতুল্লাহ মাশরেকী বলেন, মানবদরদি মানুষটি চল্লিশের দশকের মাঝামাঝি সময়ে খাকছার আন্দোলন শুরু করে। এ আন্দোলনের কর্মীদের কাজ জনসেবা করা। সুলতানও সেবক হলেন এ সংঘের। নগরের পয়ঃনালি পরিষ্কার থেকে মুর্দাফরাসের কাজ পর্যন্ত অনেক খেদমত করলেন শিল্পী তাঁর সুলতানী জীবন ছেড়ে। শিল্পী বলে কথা। বিস্ময় তাঁকে কুহকী ইঙ্গিতে ডাকে। মানুষের খাদেমদারি ছেড়ে বেরিয়ে পড়লেন ভূভারত ভ্রমণে। ঘুরতে ঘুরতে দেখলেন সারা দেহমন রঙে ভরে গেছে। এখন কোথায় এলেন তিনি! এত রঙ আর এতটা সরলা মানুষের মন। প্রকৃতির রং শুষে নিয়ে এখানে মানুষও রঙিন। ভূস্বর্গ কাশ্মীর সুলতানের ভালো লেগে গেল। পরিচয় হলো এক কানাডীয় মহিলার সঙ্গে। জুটে গেল আবারো রঙ ও ক্যানভাস। চিত্রতলে এবার তার রূপায়িত হলো মায়াময়-ছায়াময় স্মৃতিবিধুর সেই শৈশবের নড়াইল— নদীতীরবর্তী জনপদের মানুষ কর্মপ্রণালি আর চোখের কাছের ফুল্ল-প্রফুল্ল বাহারি ফুলের কাশ্মীরও পুষ্পিত হলো।

তার পর একদিন দেশ ভাগ। সবাই বলল, ঔপনিবেশিক শক্তি ভূমিকম্পের জন্ম দিয়েছে। দেশ দুই টুকরো হয়ে যাচ্ছে। কে কোন খণ্ডে থাকবে— এ নিয়ে হানাহানি শুরু হয়ে গেছে। হিন্দু-মুসলমান আর ভাই ভাই নেই। লালন, রবীন্দ্রনাথ, নজরুলের ঔষধি সারাতে পারল না জিঘাংসার মনোবৃত্তি। দেশ ভাগের তাড়া খেয়ে আর্মির ট্রাকে চড়ে বিপন্ন সুলতান চলে এলেন পাকিস্তানে। করাচি লাহোরে বছর কয়েক কাটিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপ ঘুরে ফিরে এলেন স্বদেশে। তখন আর্ট কলেজ হয়ে গেছে। পঞ্চাশের দশকের গোড়ার কথা। সুলতানের আবির্ভাব সবাইকে হকচকিয়ে দিল। কিন্তু তাঁর জীবন অনেকেই মনে নিতে পারল না। জীবন তখন তাঁর বড়ই বিচিত্র। সে জীবন ভেষজ নেশায় বিভোর হয়ে বাঁশি বাজায় আর দীর্ঘ রেখায় বিস্ময়কর ছবি আঁকে। তাছাড়া প্রেমবোধ তাঁর মনে নিয়ে এসেছে এক বিশেষ প্রতীতি। তিনি লালপাড় হলুদ শাড়ি পরে রাধা হয়ে নাচেন এবং সেই তিনিই আবার কৃষ্ণ হয়ে বাঁশি বাজান। তিনি মনে করতেন কোনো অতিলৌকিক ইশারা তাঁকে ভর করছে। হঠাত্ করেই তিনি বিমনা অবাক হয়ে যেতেন। তার পর ধ্যানস্থ মুদ্রা ভেঙে বলতেন, তিনি আসছেন। কে আসছেন, তার সঙ্গে শিল্পীর আত্মার কী সম্পর্ক, তা নিগূঢ় তত্ত্বের পথিক যারা, তারা বুঝতে পারবেন। পথে যেতে যেতে তিনি পশুপাখির সঙ্গে কথা বলতেন। ওরাও তার উত্তর দিত সহজাত শব্দে ও নির্বাক মুদ্রায়। সবাই যখন একটি বিষাক্ত সাপকে তাড়িয়ে নিয়ে জঙ্গলে ঠেলে দিয়েছে, সেই সাপকেই কণ্ঠে আদুরে আওয়াজ তুলে হাতে পেঁচিয়ে নির্ভাবনায় হেঁটে গিয়েছেন সুলতান। বাউল, দরবেশ, ফকির, সিদ্ধপুরুষ, মধুসূদন, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, ইকবাল প্রমুখ দরদিজন ছিল তার প্রিয় মানুষ। স্মরণ থেকে আবৃত্তি করতেন কবিতার রাশি রাশি চরণ আর জ্ঞানীজনের সুবচনের উচ্চারণে পোক্ত করতেন নিজের বক্তব্য। সুলতানও কী কোনো পরম পুরুষ!

কিন্তু তিনি তো গৃহহীন ছিলেন না। গৃহত্যাগী বাউলও ছিলেন না। অনেক বাউল সংঘে মিশেছেন। দুঃখীজনে বিলিয়েছেন অর্থ ও শুনিয়েছেন মমতার কথা। মানুষ ছাড়াও তিনি ভালোবেসেছেন অনেক প্রাণী ও বৃক্ষ-লতা-গুল্মকে। শিশুরা কীভাবে নরম আদরে পরমবোধে বেড়ে উঠবে, তাও ছিল তার ভাবনার কেন্দ্রবিন্দুতে। না বাউল, না গৃহী, না সন্ত, না পিতা, না দলনেতা— কিছুই তিনি হতে চাননি। শুধু জড়িয়ে ধরেছেন মানুষকে, কোলে তুলে নিয়েছেন পশুশাবককে— এই যে সহস্র জালে প্রাকৃত বন্ধনে বেঁচে থেকে জীবনের উজানি গান গাওয়া— এখানেই সুলতানের জীবনের মাহাত্ম্য।

মানবতার সারবস্তু তিনি সঞ্চয় করেছিলেন জাতপাতহীন বাউল দর্শন, বৈষ্ণব প্রেম, ফকির-দরবেশের মানবপ্রেমমূলক ধর্মকথা থেকে। পরিণত জীবনে যে বোধে আলোকিত হয়েছিল জীবন, সেই আলোতেই স্নিগ্ধ দেখতে চেয়েছেন তিনি আসন্ন প্রজন্মকে। তিনি বলতেন, শিশুরা ঘুম থেকে উঠে কাঁদে। কারণ তাদের পেটে তখন ক্ষুধা, তাই ঘুম থেকে ওঠার পরই শিশুকে দুধ দিতে হবে। দুধ খেয়ে শিশু তার চারপাশের পশুপাখিকে খাবার দেবে গাছে পানি দেবে। এবং এভাবে তার মধ্যে সর্বভূতের প্রতি দায়িত্বশীলতার বোধ জন্ম নেবে। এ সহজিয়া দর্শনে স্নাত হোক মানুষ— এই ছিল তাঁর চাওয়া।

বহু বিখ্যাতজন তাঁকে নগরে আবাসিত করতে চেয়েছেন। তিনি আবাসিক শিল্পী হিসেবে রাষ্ট্রের কাছ থেকেও পেয়েছেন আর্থিক পারিতোষিক। অনেকে ছবি কিনে তাঁকে ঠকিয়েছে, আবার ছবি বিক্রি করে তিনি আয়ও করেছেন বিপুল অর্থ। সবই তিনি ব্যয় করেছেন দীনজনের সেবায়। অবশ্য স্বরচিত চিড়িয়াখানার প্রাণিকুলের জন্যও তিনি মানুষের দ্বারস্থ হয়েছেন অর্থের জন্য। তবে তিনি শুধু চিত্রকর হতে চাননি। এ কথা সবাই নির্দ্বিধায় মেনে নেবেন। তিনি জীবনকে যাপন করার মধ্য দিয়ে জাতপাতহীন সর্বপ্রাণে সুখ কামনার দর্শন সম্প্রচার করেছেন।

আমরা কি আরো একবার ভেবে দেখব না, কেন তিনি শুধু চিত্রশিল্পীর জীবন অবলম্বন করে যশ ও অর্থ সঞ্চয়ে একাগ্রচিত্ত হলেন না? কোনো মোহ কেন তাকে আকর্ষণ করল না? কেন তিনি কোনো ব্যক্তির প্রতি দ্বেষ অথবা লাভ-লোকসান, চাওয়া-পাওয়ার হিসাবটা আদৌ গ্রাহ্য করলেন না!

কিন্তু তিনি ক্ষ্যাপা মানুষ ছিলেন। ভেতরে তার তুষের আগুনের মতো জ্বলত এক কষ্টের আগুন। তিনি চাষাভুষার বঞ্চিত জীবনের রূপ সহ্য করতে পারতেন না। যে সোনালি ফসল ফলাবে আর তার দেহ কেন হবে এমন ক্ষীণ! অন্নদাতার ঘরে অন্ন নেই, ইতিহাসের এই নিষ্ঠুরতায় ফুঁসে ওঠে সুলতান দার্শনিক ইকবালের কথা উচ্চারণ করে বলেছেন,  যে ক্ষেতের ফসল পায় না খেতে কৃষাণ, সে ক্ষেতে আগুন জ্বালিয়ে দাও, আগুন জ্বালিয়ে দাও। এ কথা বিশ্লেষণ করে তিনি বলেছেন, এটা কোনো সমাজতান্ত্রিক কথা নয়, এটা নীতির কথা।

সুলতানের ছবিতে ফুটে উঠেছে তাঁর ভাবনার মর্মবাণী। বাংলার কৃষককুলের কষ্ট বিবেচনায় নিয়ে তিনি বিদ্রোহী হয়ে উঠেছেন। তাঁর দ্রোহী তুলি এঁকেছে বিশাল দেহের কৃষক। এ কৃষককে তিনি ডেকে এনেছেন তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য। বলশালী ও তেজী না হলে কৃষক তার জমি ফসল দখলে রাখতে পারবেন না। তিনি চিন্তা করেছেন সমষ্টির ঐক্যের কথা। যে কৃষক একদিন অরণ্য কেটে আবাদ করেছে ফসল, যখন তাদের মধ্যে ছিল না নিজস্বতার দাবি, যখন তারা ভাবত— আমরা সবাই মিলে ফলাব সবার ফসল, সেই ভাগাভাগির স্বার্থচিন্তামুক্ত ঐক্যবদ্ধ কৃষকের অভ্যুত্থান ঘটেছে সুলতানের চিত্রের জমিনে। ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে, জমিদারের বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের বিরুদ্ধে কৃষককে জেগে উঠতে হয়েছিল একদিন। বঞ্চনা ও শোষণের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পেতে হলে কৃষকের ঐক্যবদ্ধ জাগরণ একান্ত কাম্য।

সুলতানের ছবির মানুষ প্রধানত দলবদ্ধ কৃষক। এ কৃষকের তাল তাল পেশির ঘূর্ণন শক্তির মুদ্রা প্রকাশ করেছে। ছবির পুরো জমিনে কেবলই কৃষক; অন্য কোনো অনুষঙ্গ নেই। তাদের দেহের রঙ তামাটে, বাদামি, যেমন তাদের সাধের জমিনের রঙ। ভূমি ও ভূমিপুত্রের সম্পর্কের অভিন্নতা তিনি রঙের ধর্মে প্রকাশ করেছেন।

তাঁর মনে কোনো হিংস্রতা ছিল না। তিনি রক্ত ও সংঘর্ষের বিরুদ্ধে ছিলেন। তবে কেন তাঁর কৃষকেরা বল্লম, সরকি, ঢাল নিয়ে লড়াইয়ে উন্মত্ত। এ প্রশ্নের জবাবে শিল্পী বলেছেন, তারা পরস্পর লড়াই করছে— এই সত্য আমি জানাতে চাইনি। বরং তারা যে শত্রুর আক্রমণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নিজ জমি ও ফসল দখলে রাখার প্রাণপণ লড়াইয়ে একনিষ্ঠ, সেই বার্তা জানাতে চেয়েছি।

আপাতদৃষ্টে সুলতানের সৃষ্টি অজ্ঞাতকুলশীল। তার পূর্বসূরি নেই, উত্তরসূরিও নেই। তবে যে বিপুল দেহের কৃষকের তিনি আবির্ভাব ঘটিয়েছেন, তার সঙ্গে ইতালীয় রেনেসাঁর গুরুশিল্পী মাইকেলেঞ্জেলো বা রাফায়েলের ছবির মানুষের সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়। কিন্তু এ গুরুশিল্পীরা ধর্মদর্শনের সূত্রে মানুষকে অর্ধদেবতার রূপ দিয়ে জানিয়েছেন রেনেসাঁ বা নবজাগরণ মানে মানুষই প্রধান। সুলতানও তাই বলেছেন, এঁকেছেন। কিন্তু কোনো পৌরাণিক চরিত্র নয়, সাধারণ কৃষককে করেছেন তিনি নবজাগরণ বা রেনেসাঁর অগ্রনায়ক। সুলতানের বিশেষ দর্শনপুষ্ট এ রকম কৃষক আমরা বাংলাদেশের কোনো শিল্পীর কাজে দেখতে পাই না। সুলতানের ছবিতে দেবতার চেয়েও শক্তিধর মানুষ। তাদের মুখের অভিব্যক্তিতে আছে একনিষ্ঠ বিশ্বাসের ব্যঞ্জনা।

মানুষের দেহসংস্থান বা অ্যানাটমি ভেঙে শিল্পে যে নতুন মাত্রা যোগ করলেন সুলতান, তা বিশ্বশিল্পের ইতিহাসেই অভূতপূর্ব স্বাতন্ত্র্যের দাবি রাখে। কৃষি-বাংলার কৃষকের জাগরণ সুলতানের বিষয় হলো কেন? যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশে তিনি এ ধরনের ছবি আঁকলেন। এর আগে কেন তাঁর ছবিতে মানুষী শক্তির পরাকাষ্ঠা এল না। বিষয়টি গভীর অভিনিবেশে ভাবলে আমরা আবিষ্কার করি এই সত্য যে, তিনি নিম্নবর্ণের মানুষের পুনরুত্থানের মধ্য দিয়ে জাতির, দেশের ও মানুষের মুক্তি অন্বেষা করেছেন। গভীর সৃষ্টি মানেই কি কোনো না কোনো মুক্তির বার্তা সোচ্চারিত করা নয়? সুলতানের ছবিতে ঔপনিবেশিক, সাম্রাজ্যবাদী ও ধনতান্ত্রিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কৃষকের উত্থান ঘটেছে— এ কথা বললে অত্যুক্তি হয় কি?

 

লেখক: শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক