বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশকে
পাকিস্তানি
ধারা
থেকে
মুক্তিযুদ্ধের
ধারায়
আনার
লড়াই
শুরু
করেন
দেশে
ফেরার
পর
থেকেই।
১৯৯৬
সালে
রাষ্ট্রপরিচালনার
দায়িত্ব
পাওয়ার
দীর্ঘ
একুশ
বছর
পর
বঙ্গবন্ধু
হত্যার
বিচার
শুরু
করেন।
স্বাভাবিক
বিচার
প্রক্রিয়া
শেষে
ঘাতকদের
বিচার
সম্পন্ন
হয়।
অনেকের
সাজা
কার্যকর
করা
হয়।
কেউ
কেউ
বিদেশে
পালিয়ে
থাকায়
এখনো
কার্যকর
করা
যায়নি।
তবে
শেখ
হাসিনার
বড়
সাফল্য
হচ্ছে
একাত্তরের
ঘাতকদের
বিচার
করা।
অভিযুক্তদের
বিচার
করে
বাংলাদেশকে
কলঙ্কমুক্ত
করার
প্রয়াসটি
তিনিই
শুরু
করেন
এবং
বিচারের
রায়
কার্যকরও
করেন।
শেখ
হাসিনা
ছাড়া
আর
কে
পারত
এমন
দুঃসাহস
দেখাতে?
করোনা মহামারী
মোকাবেলায়
বঙ্গবন্ধু
কন্যার
নেতৃত্ব
প্রশংসনীয়।
যখন
যে
সিদ্ধান্ত
দরকার
সেটা
তিনি
নিচ্ছেন।
বিশ্বের
বহু
দেশ
করোনা
ভ্যাকসিন
পাওয়ার
আগে
আমরা
পেয়েছি,
সুন্দরভাবেই
টিকার
কার্যক্রম
চলছে।
ভবিষ্যতে
আমাদের
দেশেই
টিকা
উৎপাদিত
হবে।
জননেত্রী
শেখ
হাসিনা
সে
লক্ষ্যেই
অবিরাম
কাজ
করে
যাচ্ছেন।
প্রতিটি
মানুষ
যাতে
টিকার
আওতায়
আসে,
সে
ঘোষণা
প্রধানমন্ত্রী
দিয়েছেন
এবং
বাস্তবায়নও
হবে
আশা
করি।
আজকে আমরা
ডিজিটাল
বাংলাদেশে
বসবাস
করছি।
অথচ
২০০৯
সালের
আগে
দেশ
ছিল
অ্যানালগ।
২০০৮
সালের
জাতীয়
নির্বাচনের
আগে
‘দিন
বদলের
সনদ’
ইশতেহারে
ডিজিটাল
বাংলাদেশের
কথা
বলা
হয়েছিল।
অনেকে
হেসেছিল
এসব
কথা
শুনে।
অসম্ভব,
কাল্পনিক
বলে
উড়িয়ে
দিয়েছিল।
কিন্তু
বঙ্গবন্ধুকন্যা
রাষ্ট্রক্ষমতায়
এসে
দিন
বদল
করেছেন
বাংলাদেশের।
মাননীয়
প্রধানমন্ত্রীর
তথ্য
ও
প্রযুক্তিবিষয়ক
উপদেষ্টা
সজীব
ওয়াজেদ
জয়ের
পরামর্শে
ডিজিটাল
বাংলাদেশ
গড়ে
তুলেছেন।
প্রযুক্তি
খাত
এখন
আমাদের
জন্য
বিরাট
সম্ভাবনাময়।
লাখো
তরুণ
প্রযুক্তি
সুবিধা
কাজে
লাগিয়ে
স্বাবলম্বী
হচ্ছে,
ঘরে
অফিস
করছে,
বিশ্বের
সঙ্গে
ব্যবসা-বাণিজ্য
নিয়ে
কাজ
করছে।
অবকাঠামো ক্ষেত্রে
অভাবনীয়
কাজ
হচ্ছে।
চার
লেন
রাস্তা
তৈরি,
বড়
শহরগুলোতে
ফ্লাইওভার,
মেট্রোরেল
হচ্ছে।
প্রতিটি
ক্ষেত্রেই
আসলে
এখন
বাংলাদেশ
এগিয়ে
যাচ্ছে।
শিক্ষা,
স্বাস্থ্য,
কৃষি,
শিশু-মাতৃ
মৃত্যুহার
কমে
আসার
অভাবনীয়
উন্নতি
হচ্ছে।
প্রতিবেশী
দেশগুলো
থেকে
এগিয়ে
থাকছি
না।
শিল্প-কলকারখানা
প্রতিষ্ঠা
হচ্ছে।
আমরা
প্রযুক্তিতেও
এগিয়ে
যাচ্ছি।
আয়
বাড়ছে।
আমাদের
রেকর্ড
পরিমাণ
বৈদেশিক
রিজার্ভ
এখন
আছে।
পদ্মা সেতু
নির্মাণ
শেখ
হাসিনা
সরকারের
আরেক
অনন্য
অর্জন।
বিশ্বব্যাংক
দেশী
ও
আন্তর্জাতিক
নানা
চক্র
যখন
ষড়যন্ত্র
করে
এ
সেতুতে
অর্থায়ন
বন্ধ
করে
দেয়,
তখন
এ
দেশের
মানুষ
তা
ভালোভাবে
গ্রহণ
করেনি।
যেখানে
অর্থই
ছাড়
দেয়নি,
সেখানে
দুর্নীতির
ঠুনকো
অভিযোগে
অর্থায়ন
থেকে
সরে
দাঁড়ায়
বিশ্বব্যাংকসহ
দাতা
দেশগুলো।
কিন্তু
বঙ্গবন্ধুর
রক্ত
যখন
রাষ্ট্রপরিচালনার
দায়িত্বে,
তখন
কি
আর
কোনো
ষড়যন্ত্র
আর
ঠুনকে
অভিযোগ
স্বপ্নের
পদ্মা
সেতু
নির্মাণে
বাধা
হয়ে
দাঁড়াতে
পারে?
বঙ্গবন্ধু
কন্যা
ঘোষণা
দিলেন
নিজস্ব
অর্থায়নেই
হবে
পদ্মা
সেতু।
আজ
পদ্মা
সেতু
নির্মাণকাজ
প্রায়
সম্পন্ন।
এ
অর্জন
বিশ্বের
কাছে
বাংলাদেশ
আজ
অনন্য
মর্যাদায়
অভিসিক্ত।
গৃহহীন মানুষদের
জন্য
পাকা
ঘর
নির্মাণ
শেখ
হাসিনার
একটি
অসাধারণ
কাজ।
সারা
দেশে
ভূমি
ও
গৃহহীন
৮
লাখ
৮৫
হাজার
৬২২
পরিবারকে
বাড়ি
নির্মাণ
করে
দিচ্ছে
সরকার।
জাতির
পিতা
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবুর
রহমানের
জন্মশতবার্ষিকী
‘মুজিব
বর্ষে’
এটিই
হবে
প্রধানমন্ত্রী
শেখ
হাসিনার
বিশেষ
উপহার।
২০২০
সালের
৭
মার্চ
প্রধানমন্ত্রী
শেখ
হাসিনা
ঘোষণা
দিয়েছিলেন
যে
দেশের
একটি
মানুষও
গৃহহীন
বা
ভূমিহীন
থাকবে
না।
তার
এ
মহান
ব্রতকে
সামনে
রেখেই
মুজিব
বর্ষে
প্রতিটি
গৃহহীন-ভূমিহীন
পরিবারই
পাচ্ছে
দুর্যোগ
সহনীয়
সেমিপাকা
ঘর,
আর
২
শতাংশ
জমির
মালিকানা।
সম্পূর্ণ
বিনামূল্যে
দুই
শতক
জমির
মালিকানাসহ
সুদৃশ্য
রঙিন
টিনশেডের
সেমিপাকা
বাড়ি
পাবেন
গৃহহীন
ও
ভূমিহীনরা।
সারা
দেশে
গৃহহীনদের
জন্য
ঘর
নির্মাণের
এ
মহাযজ্ঞ
প্রতিনিয়ত
মনিটরিং
করছেন
স্বয়ং
প্রধানমন্ত্রী
শেখ
হাসিনা।
লাখ
লাখ
মানুষের
জন্য
বিনামূল্যে
জমি
ও
ঘর
নির্মাণ
করে
দেয়ার
নজির
দ্বিতীয়
আরেকটি
আছে
কি
পৃথিবীতে?
বিপুলসংখ্যক মানুষ
বয়স্ক
ভাতা
এবং
বিধবা
ভাতা
পাচ্ছেন।
‘একটি
বাড়ি
একটি
খামার’
প্রকল্প
ছিল
শেখ
হাসিনার
আরেকটি
উদ্ভাবনী
চিন্তার
নজির।
এমন
অসাধারণ
চিন্তা
ও
মানসিকতা
কেবল
বঙ্গবন্ধুকন্যার
পক্ষে
সম্ভব।
এ
প্রকল্পের
মাধ্যমে
লাখো
মানুষ
উপকৃত
হয়েছে।
গ্রামে-গঞ্জে
এ
প্রকল্পের
উপকারভোগী
মানুষের
সংখ্যা
অসংখ্য।
যদিও
অনিয়ম-দুর্নীতির
খবর
মাঝেমধ্যে
পেয়ে
থাকি,
সীমাবদ্ধতা
ও
অনিয়ম
দূর
করতে
পারলে
এসব
প্রকল্পের
সুফল
জনগণ
পাবে
অনেক
বেশি।
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন
ছিল,
দেশের
প্রতিটি
মানুষের
দোরগোড়ায়
এবং
প্রান্তিক
জনগণের
জন্য
ন্যূনতম
স্বাস্থ্যসেবা
পৌঁছে
দেয়া।
দেশের
কোনো
মানুষ
যেন
চিকিৎসার
আওতার
বাইরে
না
থাকে,
এমনকি
কাউকে
যেন
অর্থের
অভাবে
চিকিৎসা
থেকে
বঞ্চিত
হতে
না
হয়।
বঙ্গবন্ধুর
স্বাস্থ্যসেবার
পরিকল্পনা
শুধু
রাজধানী
বা
শহরকেন্দ্রিক
ছিল
না।
বরং
জেলা,
থানা,
ইউনিয়ন
এবং
গ্রামসহ
তৃণমূল
পর্যায়ে
সেই
সুযোগ
নিশ্চিত
করাই
ছিল
তার
মূল
উদ্দেশ্য।
বঙ্গবন্ধুর আজন্ম
স্বপ্নের
স্বাস্থ্যসেবার
সফল
এবং
সার্থকভাবে
বাস্তবায়নের
লক্ষ্যে
তার
সুযোগ্য
উত্তরসূরি
জননেত্রী
শেখ
হাসিনার
নেয়া
বাস্তবভিত্তিক
ও
ব্যাপক
কার্যক্রম
দেশের
জনগণের
স্বাস্থ্যসেবা
নিশ্চিত
করতে
নিরলসভাবে
অক্লান্ত
পরিশ্রম
করে
চলছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার
হাত
ধরেই
পূর্ণতা
পায়
কমিউনিটি
ক্লিনিকভিত্তিক
চিকিৎসা
সেবা,
যা
বর্তমানে
প্রান্তিক
জনগণের
ন্যূনতম
প্রাথমিক
চিকিৎসার
প্রধান
আশ্রয়স্থল
হিসেবে
স্বীকৃত
এবং
বিশ্বে
ব্যাপকভাবে
প্রশংসিত।
আজ
বিশ্বের
দরবারে
এ
কমিউনিটি
ক্লিনিক
ব্যবস্থা
একটি
রোল
মডেল।
স্বাস্থ্যসেবা
মানুষের
দোরগোড়ায়
পৌঁছে
দিতে
প্রধানমন্ত্রী
১৯৯৬
সালে
রাষ্ট্র
পরিচালনার
দায়িত্ব
পাওয়ার
পর
বাস্তবায়ন
করেছিলেন
এ
অনন্য
প্রকল্প।
প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার
রাষ্ট্র
পরিচালনাকালেই
ভারতের
সঙ্গে
ছিটমহল
চুক্তি
সম্পন্ন
হয়েছে।
দীর্ঘদিন
পর
ওই
এলাকার
বাসিন্দারা
স্বাধীনতার
স্বাদ
ভোগ
করছে।
সমুদ্রসীমা
জয়
করেছি
আমরা
যথাক্রমে
মিয়ানমার
ও
ভারতের
সঙ্গে।
নিজেদের
ন্যায্য
অধিকার
আদায়ে
শেখ
হাসিনার
দেশপ্রেম
অতুলনীয়।
দেশের
স্বার্থে
তার
সব
কূটনীতি।
নিজেদের
দেশের
স্বার্থ
বিসর্জন
দিয়ে
কখনো
কোনো
কাজ
করেননি
তিনি।
বরং
আমেরিকার
মতো
ক্ষমতাধর
রাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্ট
বিল
ক্লিনটনের
মুখের
ওপর
না
করে
দিয়েছিলেন
গ্যাস
রফতানি
বিষয়ে।
স্বপ্নের মেট্রোরেল
প্রকল্প
এখন
বাস্তবায়ন
হওয়ার
পথে
আছে।
বাংলাদেশে
ব্যয়বহুল
প্রকল্প
মেট্রোরেল
আনুষ্ঠানিকভাবে
পরীক্ষামূলক
চলাচল
শুরু
করে।
এখন
পর্যন্ত
চারটি
স্টেশনের
কার্যক্রম
সম্পন্ন
হয়েছে।
এ
চারটি
স্টেশনের
মধ্যেই
রেলটি
প্রথম
ধাপে
পরীক্ষামূলক
চলাচল
করবে।
২০২২
সালের
শেষের
দিকে
পুরোপুরিভাবে
মেট্রোরেল
চালু
হবে।
বঙ্গবন্ধুকন্যা
এ
রাষ্ট্রের
নেতৃত্বে
না
থাকলে
এটা
কি
সম্ভব
হতো?
শেখ হাসিনা
সরকারের
আরেক
সম্ভাবনার
প্রকল্প
কর্ণফুলী
নদীর
তলদেশ
দিয়ে
তৈরি
হচ্ছে
টিউববিশিষ্ট
বহু
লেনের
কর্ণফুলী
টানেল।
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবুর
রহমানের
নামের
এ
টানেল
সংযুক্ত
করবে
চট্টগ্রাম
নগরীর
পতেঙ্গা
ও
দক্ষিণের
আনোয়ারা
প্রান্তকে।
টানেল
চালুর
প্রথম
বছরেই
প্রায়
৫০
লাখ
গাড়ি
যাতায়াত
করবে
বলে
আশা
করছে
কর্তৃপক্ষ।
কর্ণফুলী
টানেল
সম্ভাবনার
নতুন
দুয়ার
খুলে
দেবে
আমাদের
জন্য।
অর্থনৈতিক
উন্নয়নে
কর্ণফুলী
টানেল
ব্যাপক
অবদান
রাখবে।
আমাদের
স্বপ্নের
সীমানা
ছাড়িয়ে
যাচ্ছেন
প্রধানমন্ত্রী
তার
উদ্ভাবনী
মানসিকতায়
দেশকে
এগিয়ে
নিচ্ছেন। বিদ্যুতের
বিরাট
সংকট
ছিল,
গ্রামগঞ্জে
বিদ্যুতের
ঘাটতি
ছিল,
তা
এখন
নেই।
আগে
ঘণ্টার
পর
ঘণ্টা
লোডশেডিং
হতো।
বিদ্যুতের
জন্য
ছিল
হাহাকার।
ব্যবসা-বাণিজ্যে
বিনিয়োগ
হতো
অনেক
কম।
কারণ
বিদ্যুতের
অপর্যাপ্ততা।
বঙ্গবন্ধু
কন্যা
শেখ
হাসিনা
ক্ষমতায়
আসার
পর
একের
পর
এক
বিদ্যুৎ
প্রকল্প
হাতে
নিয়েছে।
বিদ্যুতের
সংকট
কাটিয়ে
উঠেছে।
প্রয়োজনীয়
বিদ্যুৎ
এখন
উৎপাদন
হচ্ছে।
এর
অংশ
হিসেবে
সারা
দেশে
বিদ্যুৎকেন্দ্র
গড়ে
উঠেছে।
রূপপুর
পারমাণবিক
বিদ্যুৎকেন্দ্র
অন্যতম।
দুই
হাজার
মেগাওয়াট
এ
বিদ্যুৎকেন্দ্রের
কাজ
দ্রুত
এগিয়ে
চলছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি
ও
খনিজ
সম্পদ
মন্ত্রণালয়ের
দেয়া
সর্বশেষ
তথ্য
থেকে
জানা
যায়,
দেশের
গ্রিড
এলাকায়
শতভাগ
বিদ্যুৎ
পৌঁছে
দেয়া
হয়েছে।
কিছু
অফগ্রিড
এলাকায়
সৌরবিদ্যুৎ
ও
সাবমেরিন
কেবলের
মাধ্যমে
বিদ্যুৎ
পৌঁছে
দেয়া
হচ্ছে।
সেপ্টেম্বরের
মধ্যেই
দেশের
সব
অফগ্রিড
এলাকায়
বিদ্যুৎ
পৌঁছে
দেয়ার
কাজ
শেষ
হবে।
ফলে
বলাই
যায়,
শতভাগ
বিদ্যুতায়নের
দ্বারপ্রান্তে
দেশ।
সরকার ২০৩০
সাল
নাগাদ
দেশে
১০০টি
অর্থনৈতিক
অঞ্চল
প্রতিষ্ঠায়
কাজ
করছে।
এর
মধ্যে
৯৩টি
অর্থনৈতিক
অঞ্চল
অনুমোদন
পেয়েছে।
বাস্তবায়নাধীন
রয়েছে
সরকারি-বেসরকারি
২৮টি
অর্থনৈতিক
অঞ্চল।
সবগুলো
অর্থনৈতিক
অঞ্চলের
কাজ
সম্পন্ন
হলে
লাখ
লাখ
মানুষের
কর্মসংস্থান
হবে।
দেশের
বেকার
মানুষের
সংখ্যা
অনেক
কমবে।
লাখ
লাখ
মানুষ
যখন
কাজে
যুক্ত
হবে,
তখন
দেশের
অর্থনৈতিক
গতি
আরো
চাঙ্গা
হয়ে
উঠবে।
কে
ভেবেছিল
এর
আগে
শেখ
হাসিনাকে
ছাড়া
এমন
কম্পমান
প্রকল্পের
কথা।
প্রকল্পগুলো
বাংলাদেশের
চেহারা
বদলে
দেবে।
এখন
শুধু
সময়ের
অপেক্ষা।
দেশের মানুষের
আয়
বেড়েছে।
আমাদের
এখন
মাথাপিছু
আয়
২
হাজার
মার্কিন
ডলারেরও
বেশি।
বৈদেশিক
মুদ্রার
রিজার্ভ
৫০
বিলিয়ন
ডলারের
বেশি।
রফতানি
আয়েও
আমরা
অনেক
ভালো
করছি।
ব্যবসা-বাণিজ্য,
বিনিয়োগে
আমাদের
অগ্রগতি
বিশ্বের
অনেকের
কাছে
ঈর্ষণীয়।
যদিও
করোনার
কারণে
উন্নয়ন
গতি
কিছুটা
শ্লথ
হয়েছে।
তবে
এখন
আবারো
গতি
পাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর
দূরদর্শী
চিন্তাভাবনা
ও
পদক্ষেপে
অর্থনীতি
আবারো
ঘুরে
দাঁড়িয়েছে।
সারা
দেশে
অবকাঠামো
গড়ে
উঠছে।
বিশাল
উন্নয়ন
কর্মযজ্ঞ
চলছে
শেখ
হাসিনার
পুরো
শাসনামলেই।
তার
সুফল
আমরা
পেতে
শুরু
করেছি।
আগের
যেকোনো
সময়ের
তুলনায়
স্বাচ্ছন্দ্য
জীবনযাপন
করছেন
মানুষ।
আমাদের গড়
আয়ু
বাহাত্তর
বছরেরও
বেশি,
যা
আমাদের
প্রতিবেশী
দেশগুলোর
চেয়ে
বেশি।
শিশু-মাতৃমৃত্যু
হার
কমেছে।
নারীদের
জন্য
অনেক
কাজ
করেছেন।
নারী
শিক্ষার
অগ্রগতি
উল্লেখযোগ্য।
মেয়ে
শিশুরা
স্কুল-কলেজে
যায়,
তাদের
উপবৃত্তি
দেয়
সরকার।
নারী
উন্নয়নে
শেখ
হাসিনা
বহু
পদক্ষেপ
নিয়েছেন,
যে
কারণে
নারীরা
এখন
সমাজের
বিভিন্ন
ক্ষেত্রে
এগিয়ে
আসছেন,
কাজ
করছেন।
একথা বিশ্বের
সবাই
স্বীকার
করেন,
জাতির
জনক
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবুর
রহমানের
কন্যা
প্রধানমন্ত্রী
শেখ
হাসিনা
বাংলাদেশের
চেহারা
বদলে
দিয়েছেন।
অর্থনৈতিক
ও
সামাজিক
উন্নয়নের
সব
সূচকে
বাংলাদেশ
দুর্দান্ত।
দেশের
দারুণ
এ
উন্নতি
ধরে
রাখার
জন্য
শেখ
হাসিনার
হাতকে
শক্তিশালী
করা
আমাদের
দায়িত্ব।
সমর্থন
ও
সহযোগিতা
পেলে
শেখ
হাসিনা
২০৪১
সালে
অবশ্যই
উন্নত
বাংলাদেশ
গড়ে
তুলতে
পারবেন।
পৃথিবীতে অনেক
জাতির
নাগরিক
অধিকার
থেকে
বঞ্চিত।
লড়াই-সংগ্রাম
করছে।
একবিংশ
শতাব্দীতে
এসেও
রোহিঙ্গারা
তাদের
দেশছাড়া।
গণহত্যার
শিকার
হয়ে
বাংলাদেশমুখী
হয়েছিল।
বাংলাদেশ
মানবিক
কারণে
তাদের
আশ্রয়
দিয়েছিল।
১১
লাখেরও
বেশি
রোহিঙ্গা
এখন
বাংলাদেশে।
বিশ্বের
কোনো
দেশ
যখন
তাদের
আশ্রয়
দিতে
নিরুৎসাহ
দেখাচ্ছিল,
তখন
বাংলাদেশ
তথা
রাষ্ট্রনেতা
শেখ
হাসিনা
তাদের
এদেশে
আশ্রয়
দেয়ার
সিদ্ধান্ত
নেন।
সহজ
ছিল
কী
এ
সিদ্ধান্ত
নেয়া?
না।
কারণ
১৭
কোটি
মানুষের
চাপে
বাংলাদেশ
এমনিতেই
নানা
সংকটে
আছে।
তা
সামলানো
সহজ
নয়।
তবুও শত
ঝুঁকি
থাকা
সত্ত্বেও
রোহিঙ্গাদের
আশ্রয়
দিয়ে
বিশ্বে
বাংলাদেশ
প্রশংসিত
হয়।
মানবিক
রাষ্ট্র
তার
মানবিকতা
সর্বোচ্চ
প্রদর্শন
করে।
আর
তাই
তিনি
ভূষিত
হয়েছেন
মাদার
অব
হিউম্যানিটি
উপাধিতে।
বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ
হাসিনার
নেতৃত্বে
বাংলাদেশ
এগিয়ে
যাচ্ছে,
এগিয়ে
যাবে।
কিন্তু
বাংলাদেশের
এ
এগিয়ে
যাওয়ার
গল্পটা
এত
সহজ
ছিল
না।
পদে
পদে
বাধা
অতিক্রম
করে
বাংলাদেশকে
আজকের
অবস্থানে
নিয়ে
এসেছেন
শেখ
হাসিনা।
যতদিন
শেখ
হাসিনা
বেঁচে
থাকবেন,
রাষ্ট্রপরিচালনার
দায়িত্বে
থাকবেন,
বাংলাদেশ
এগিয়ে
যাবেই।
কেউ
দাবিয়ে
রাখতে
পারবে
না।
জনগণ
বঙ্গবন্ধু
কন্যাকে
আস্থায়
নিয়েছে।
ভরসা
করছে।
শেখ
হাসিনার
নেতৃত্বে
জনগণ
তার
সুফল
পেয়েছে।
একদিন
বঙ্গবন্ধুর
স্বপ্নের
সোনার
বাংলা
বাস্তবায়ন
হবেই।
সেদিন
আর
বেশি
দূরে
নয়।
শেখ হাসিনার
বক্তব্য
দিয়েই
শেষ
করছি—‘আমি
জাতির
পিতা
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবের
মেয়ে,
আমি
শুধু
শাসক
নই,
বাংলাদেশের
মানুষের
সেবক।
জনগণের
সেবা
ও
কল্যাণ
করাকেই
আমি
সব
থেকে
বড়
কাজ
বলে
মনে
করি।
সেই
ব্রত
নিয়েই
আমি
কাজ
করে
যাচ্ছি
এবং
দেশকে
উন্নত
ও
সমৃদ্ধ
করার
ক্ষেত্রে
আপনাদের
সহযোগিতা
সব
সময়
কামনা
করি।’
এবিএম আব্দুল্লাহ: প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক





