বাংলাদেশ ও ভিয়াতনামের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি। বিগত পাঁচ দশকে এ সম্পর্ক কেবল রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা রূপ নিয়েছে এক সুদৃঢ় অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে। বৈশ্বিক পোশাক বাজারে দুই দেশই শীর্ষস্থানীয় প্রতিযোগী হওয়া সত্ত্বেও বিশ্ব বাণিজ্য পরিস্থিতিতে উভয় দেশ একে অন্যের জন্য পরিপূরক অর্থনীতি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। ভিয়েতনামের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন এবং আঞ্চলিক জোটের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকেও সচল রাখার জন্য অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং কৌশলগতভাবে অপরিহার্য।

বাংলাদেশ ও ভিয়াতনামের দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিকতাবিরোধী সংগ্রাম এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করেছে। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এরই মধ্যে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে এবং উভয় দেশই অদূর ভবিষ্যতে এ বাণিজ্যকে ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার জন্য কাজ করছে। তবে বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ভারসাম্য সম্পূর্ণভাবে ভিয়েতনামের অনুকূলে ছিল এবং বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ৩০০ মিলিয়ন থেকে ১ হাজার ২০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে ছিল। ২০১৫-১৬ সালে ভিয়েতনামের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৩২৩ মিলিয়ন ডলার। ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ সালে ঘাটতি দাঁড়ায় যথাক্রমে ৯০০ মিলিয়ন ও ৮০০ মিলিয়ন ডলার। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি কিংবা দ্বিপক্ষীয় কোনো সমঝোতা না হলে তা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

বাংলাদেশ মূলত ভিয়েতনাম থেকে বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট, সুতা (তুলা ও সিন্থেটিক ফিলামেন্ট), সার এবং বিভিন্ন ধরনের শিল্প যন্ত্রপাতি ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী আমদানি করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ভিয়েতনামে প্রক্রিয়াজাত তুলা, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্যাকেটজাত ওষুধ, চামড়া এবং লোহার স্ক্র্যাপ রফতানি করা হয়। তবে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশের উল্লেখিত সামগ্রী রফতানির পরিমাণ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য পণ্য তথা বহুমুখী পণ্য রফতানির ওপর বিশেষ জোর দেয়া প্রয়োজন।

আশার কথা, দুই দেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে যৌথ বাণিজ্য কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সর্বশেষ বৈঠকগুলোতে ট্যারিফ ও নন-ট্যারিফ বাধা যেমন: কোয়ারেন্টাইন সার্টিফিকেট, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স জটিলতা ইত্যাদি দূর করার ব্যাপারে জোর দেয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম বিজনেস ফোরাম এবং বিটুবি ম্যাচমেকিং ইভেন্টে ভিয়েতনাম বাণিজ্য ভারসাম্য বজায় রাখতে বাংলাদেশ থেকে ওষুধ ও কৃষিপণ্য বেশি আমদানির আশ্বাস দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম বাণিজ্য জোট রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) যোগ দিতে পারলে আশা করা যায়, ভিয়েতনামের বাজারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বড় ধরনের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে বাংলাদেশের পণ্য।

আসিয়ান ও রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ—এ দুটি জোটের মাধ্যমে ভিয়েতনাম বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠীর বাজারে শুল্কমুক্ত পণ্য সরবরাহের অনন্য সুবিধা ভোগ করছে। বাংলাদেশের জন্য এ আঞ্চলিক জোটগুলোতে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ভিয়েতনাম একটি শক্তিশালী সেতু বা গেটওয়ে হিসেবে কাজ করতে পারে। বাংলাদেশ বর্তমানে আসিয়ানের ‘সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার’ হওয়ার জন্য জোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এবং একই সঙ্গে আরসিইপি জোটে যোগদানের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে শক্তিশালী দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকলে আসিয়ানের ফোরামে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি অনেক সহজ হবে। আরসিইপিতে বাংলাদেশের প্রবেশ নিশ্চিত হলে দেশের সেবা খাত, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাত সরাসরি এশীয় অঞ্চলের একটি বিশাল ও সমন্বিত সাপ্লাই চেইনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে। ফলে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কের বোঝা কমবে এবং রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশী পণ্যের আঞ্চলিক বাজার সম্প্রসারিত হবে।

বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শুল্ক নীতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে। কয়েক বছরের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ উন্নত বিশ্বের বাজারগুলোতে শূন্য শুল্ক বা কোটামুক্ত সুবিধা হারাবে। উত্তরণের পরবর্তী তিন বছর অন্তর্বর্তীকালীন সুবিধা বজায় থাকলেও পরবর্তী সময়ে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশী পণ্যে গড়ে প্রায় ৯.৩ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপিত হতে পারে। অন্যদিকে ভিয়েতনাম এরই মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে অত্যন্ত সফলভাবে ‘ইইউ-ভিয়েতনাম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছে। ২০২৭ সালের মধ্যে এ চুক্তি শতভাগ কার্যকর হবে, যার ফলে ভিয়েতনাম ইউরোপের বাজারে সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করবে। ফলে ২০২৯ সালের পর ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও অন্যান্য পণ্য ভিয়েতনামের চেয়ে প্রায় ২১ শতাংশ বেশি শুল্কের মুখোমুখি হতে পারে, যা বাংলাদেশের রফতানি সক্ষমতাকে মারাত্মক প্রতিযোগিতার মুখে ফেলে দেবে।

এ শুল্কবৈষম্য এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম দ্বিপক্ষীয় পর্যায়ে একটি অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) অথবা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের জন্য বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় ও ফরেন অফিস কনসালটেশন বৈঠকগুলোতে দুই দেশই শুল্ক বাধা দূর করা এবং ট্যারিফ ও নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার কমানোর ব্যাপারে একমত পোষণ করেছে। এ পিটিএ বা এফটিএ দ্রুত বাস্তবায়ন করা দরকার, তাতে ভিয়েতনামে বাংলাদেশী পণ্যের শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে এবং দুই দেশের বাণিজ্য ২ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা অতি দ্রুত স্পর্শ করতে সক্ষম হবে।

দুই দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, শ্রমের মজুরি এবং অবকাঠামোগত দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে সুনির্দিষ্ট কিছু পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে কার কোন দিকে তুলনামূলক সুবিধা রয়েছে, তা বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশে ওষুধ শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ এবং জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক মানের এবং অত্যন্ত সাশ্রয়ী। ভিয়েতনামে ওষুধের দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় এবং সেখানে উচ্চমানের ওষুধের ঘাটতি থাকায়, বাংলাদেশের উৎপাদিত আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জেনেরিক ওষুধ ভিয়েতনামের বাজারে অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে সরবরাহ করা সম্ভব। অন্যদিকে যেহেতু ভিয়েতনামের চমৎকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি যেমন ইভিএফটিএ, সিপিটিপিপি, আরসিইপি— নেটওয়ার্ক রয়েছে, সে সুবিধা বাংলাদেশী বিনিয়োগকারীরা নিতে পারেন এবং ভিয়েতনামে সরাসরি ওষুধ রফতানির পাশাপাশি সেখানে যৌথ উদ্যোগে বা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ওষুধ উৎপাদন কারখানা স্থাপন করা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত লাভজনক বিনিয়োগ হতে পারে।

ভিয়েতনাম সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে আলু আমদানি করায় এ খাতের উৎপাদনকারীরা ব্যাপক লাভবান হচ্ছেন। বাংলাদেশে চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদ এবং এগ্রো প্রসেসিং জোন তৈরি করে ভিয়েতনামের প্রযুক্তির সহায়তায় হিমায়িত ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য উৎপাদন অত্যন্ত সুবিধাজনক হতে পারে। ভিয়েতনাম আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ও উন্নত কৃষি প্রযুক্তিতে বেশ এগিয়ে। বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে তারা ফলমূল, শাকসবজি ও সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা স্থাপন করতে পারে। ভিয়েতনাম কৃত্রিম তন্তু, সুতা ও হাই-এন্ড টেকনিক্যাল টেক্সটাইল উৎপাদনে বেশ উন্নত। তাদের বিশাল তৈরি পোশাক ও জুতা শিল্পের জন্য কাঁচামাল হিসেবে বাংলাদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত তুলা এবং উন্নত মানের চামড়া রফতানির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশ থেকে কাঁচামাল বা আধা প্রক্রিয়াজাত চামড়া নিয়ে ভিয়েতনামে জুতা ও চামড়াজাত ফিনিশড প্রডাক্ট তৈরির কারখানায় বিনিয়োগ করার সুযোগ রয়েছে। ভিয়েতনামের ভারী শিল্প ও নির্মাণ খাতের জন্য বাংলাদেশ থেকে লোহার স্ক্র্যাপ রফতানি একটি অন্যতম প্রধান লাভজনক খাত।

অন্যদিকে ভিয়েতনাম বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) এবং হাই-টেক পার্কগুলোতে টেক্সটাইল খাতে যৌথ বিনিয়োগ বা শতভাগ মালিকানাধীন কারখানা স্থাপন করে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পকে শক্তিশালী করতে পারে। ভিয়েতনাম বৈশ্বিক ইলেকট্রনিকস, মোবাইল ফোন এবং সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের অন্যতম প্রধান হাব। ইলেকট্রনিকস অ্যাসেম্বলিং, খুচরা যন্ত্রাংশ, অটোমোবাইল পার্টস ও বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) ব্যাটারি তৈরিতে ভিয়েতনাম বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে। বাংলাদেশের বিশাল আইটি জ্ঞানসম্পন্ন জনশক্তি এবং ভিয়েতনামের উন্নত প্রযুক্তিগত দক্ষতার সমন্বয়ে হাই-টেক পার্কগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে যৌথ বিনিয়োগের বড় সুযোগ রয়েছে।

বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য আরো কিছু পদক্ষেপ উভয় দেশের জন্য উইন উইন অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে। যেমন তৈরি পোশাক খাতে বৈচিত্র্য আনা, ম্যান মেড ফাইবার বা কৃত্রিম সুতার ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কারখানার উৎপাদনশীলতা বাড়াতে বাংলাদেশকে ভিয়েতনামের পোশাক শিল্পের মডার্নাইজেশন মডেল অনুসরণ করা যেতে পারে। বাংলাদেশ সরকার ভিয়েতনামের বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে যে ডেডিকেটেড জায়গা বরাদ্দ দেয়ার প্রস্তাব করেছে, সেটির দ্রুত বাস্তবায়ন প্রয়োজন। ভিয়েতনামের কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি ভিয়েতনামের উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি বাংলাদেশে স্থানান্তরিত হবে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যকার ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে এবং পর্যটনের বিকাশ ঘটাতে ব্যবসায়ীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু করা, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ও বন্দর লজিস্টিকসের আধুনিকায়ন করা, দুই দেশের চেম্বার অব কমার্স ও ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি করে পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক তৈরি করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম কেউ কারো প্রতিপক্ষ নয়, বরং তারা একে অন্যের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত বন্ধু এবং বর্তমান অর্থনৈতিক পার্টনার। শুল্ক নীতির ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এবং আঞ্চলিক জোট আসিয়ানের সুবিধাগুলোকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম যদি যৌথ কৌশলগত রোডম্যাপ তৈরি করতে পারে, তবে তা উভয় দেশের ২০৪১ সালের উন্নত অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। রাজনৈতিক সদিচ্ছা, ব্যবসায়ী সমাজের দূরদর্শিতা এবং দ্রুত শুল্কমুক্ত চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমেই উন্মোচিত হতে পারে বাংলাদেশ-ভিয়েতনামের বাণিজ্যিক সম্পর্কের এক সোনালি অধ্যায়।

সিকদার আনোয়ার: খণ্ডকালীন শিক্ষক, বিইউএফটি ও সাবেক সচিব