বাংলাদেশ ও কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাস ৫৬ বছরের। এতদিন সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মূলত টেক্সটাইল খাত। এখন সময় এসেছে সম্পর্ককে প্রযুক্তি, সরবরাহ ব্যবস্থা, শিল্প সহযোগিতা ও বিনিয়োগের মতো নতুন খাতে সম্প্রসারণের সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) কোরিয়ান কোম্পানিগুলোর বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ আরো বাড়বে।
বাংলাদেশ আমার ‘দ্বিতীয় শহর’। বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিল্পভিত্তি ও বৃহৎ বাজার দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বড় সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। চট্টগ্রামে কাজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়া বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা দ্রুত সম্পন্ন করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।
প্রস্তাবিত চুক্তি আগামী দুই দশকে দুই দেশের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে আরো শক্তিশালী করবে। চুক্তির মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য আইনি কাঠামো গড়ে উঠবে, যা বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। ব্যবসায়ী মহলকে এ চুক্তির সর্বোচ্চ সুবিধা কাজে লাগানোর আহ্বান জানাই এবং বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
(গত ৩ ও ৪ আগস্ট বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) নেগোসিয়েশন বিষয়ক অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই অনুষ্ঠানে ইয়ো হান-কু’র বক্তব্য)।










