ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আগামী ১০০ থেকে ১৮০ দিনের জন্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থায়ও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।

তাই জ্বালানি আমদানি ও সরবরাহ চেইন সচল রাখতে সরকারের কূটনৈতিক ও নীতিগত উদ্যোগ আরো জোরদার করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদনের জন্য সার সরবরাহ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য ডলার বাজারের ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে স্থানীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে ডলার সরবরাহের সমন্বয় ঠিক আছে কিনা তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা দরকার, যাতে বাজারে নতুন করে চাপ সৃষ্টি না হয়। অর্থনীতিকে গতিশীল করতে সরকারের অগ্রাধিকার ও লক্ষ্য স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য নির্দিষ্ট ও পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়বে এবং ব্যবসায়ীরাও স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাবেন। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাও বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশের জন্য অপরিহার্য।