এ বিষয়ে আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি এবং শক্ত অবস্থানে রয়েছি। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের এলাকাগুলোকে কীভাবে আরো বাসযোগ্য করা যায়, তা নিয়ে আমরা কাজ করছি। ঢাকার ওপর চাপ কমিয়ে কীভাবে দ্রুততার সঙ্গে নগরের বাসযোগ্যতা বাড়ানো যায়, সেদিকে আমরা নজর দিয়েছি। পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে আমরা ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) পর্যালোচনা করছি। কারণ সুষ্ঠু নগরায়ণ বর্তমান সময়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন যে আমরা আপাতত কোনো মেগা প্রকল্পে যাব না। তার পরিবর্তে আমরা জনবান্ধব কর্মকাণ্ডগুলোকে অগ্রাধিকার দেব।

বিশেষ করে মোট জনগোষ্ঠীর মধ্যে যারা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে, তাদের নিয়ে কাজ করা আমাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে।

জনগণের করের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক চাপ এলে তা মোকাবেলা করা হবে। দেশের প্রচলিত আইনের মধ্য থেকে আমাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। বিশেষ করে মধ্যম ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ঢাকায় আবাসনের সুযোগ তৈরির বিষয়ে কাজ করতে হবে। আমরা সবাই মিলে দেশের কল্যাণে গঠনমূলক চিন্তা ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করলে জনগণের জীবনমান উন্নত হবে।