বিপরীতে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে অনেক দিন ধরে। বিনিয়োগেও চলছে এক ধরনের শূন্যতা। কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথ রুদ্ধ হয়ে এসেছে। নতুন অবকাঠামো নির্মাণ অনেকটাই বন্ধ।
এ পরিস্থিতিতে একজন ব্যাংক নির্বাহী হিসেবে নির্বাচিত সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এনে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে নজর দেয়া, সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কার্যকর প্রদক্ষেপ নেয়া, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের জনগণের আস্থায় আনা।
বিগত দেড় দশকে দেশের ব্যাংক খাত অনেক বেশি দুর্বল হয়েছে। এ খাতের প্রতি মানুষের আস্থা ফেরানো অত্যন্ত জরুরি। ব্যাংক খাত সংস্কারে গত দেড় বছরে যেসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, সেগুলোর ধারাবাহিকতা রক্ষা করে শেষ করা দরকার। বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক করতে হবে।
আমদানির ক্ষেত্রে নজরদারি ও তদারকি দরকার। কোন পণ্য বেশি আমদানি হয়ে যাচ্ছে, আবার কোনটির সংকট হচ্ছে, সেগুলো মনিটরিং করতে হবে। আর রফতানির ক্ষেত্রে আমরা কেবলই তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। নতুন বাজার খোঁজার পাশাপাশি রফতানি পণ্যের বৈচিত্র্য আনতে সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে।
ব্যালান্স অব পেমেন্টকে স্থিতিশীল রাখতে হবে। বিচার ব্যবস্থার ত্রুটি ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে মানুষ হতাশ হয়ে যাচ্ছে। খেলাপি ঋণও আদায় হচ্ছে না। সুশাসন প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে বিচার ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। ভুক্তভোগীর শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে বিচার বিভাগকে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।










