কিন্তু ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে এ নীতির বাস্তবায়ন অসংগতিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এবং বাস্তবে মূল্য সমন্বয় প্রায় স্থগিত রয়েছে। ২০২৪ সালের শেষ দিকে সীমিত কিছু অনুমোদন দেয়া হলেও তা বিচ্ছিন্ন ও অস্বচ্ছ বলে মনে হয়েছে।
ক্রমবর্ধমান কাঁচামাল ব্যয়ের প্রেক্ষাপটে ব্যয় পুনরুদ্ধার, বিনিয়োগ টিকিয়ে রাখা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে মূল্যনির্ধারণ ব্যবস্থার পূর্বানুমানযোগ্য ও নিয়মভিত্তিক প্রয়োগ জরুরি।
একই সঙ্গে বিদেশী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ওষুধপণ্যের লাইসেন্স অধিগ্রহণের সুযোগ দেয়া হলে পণ্য উন্নয়নকাল কমবে, দ্রুত বাজারে প্রবেশ এবং বিশেষ করে ইউরোপের মতো নিয়ন্ত্রিত রফতানি বাজারে প্রবেশ সহজ হবে। এ প্রস্তাব কেবল লাইসেন্স অধিগ্রহণের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থায় চলতি হিসাবে সীমিত উদারীকরণই যথেষ্ট।
পাশাপাশি ওষুধের সক্রিয় উপাদান (এপিআই) উৎপাদনে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিদ্যুৎ ব্যয়ে ভর্তুকি সহায়তা দিলে উৎপাদন সম্প্রসারণ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আমদানিনির্ভরতা কমাতে সহায়তা করবে।










