আশা করি, দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বেসরকারি খাতকে অগ্রাধিকার দেবে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি সরকারের সামনে বড় কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ পরিস্থিতি বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ও জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে, যা ব্যবসা ও শিল্প খাতের জন্য উদ্বেগজনক। এ অবস্থায় শিল্প-কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কর্মসংস্থান কমবে এবং রফতানি বাধাগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নও অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া উচিত। কর্মসংস্থান বাড়াতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। শ্রমঘন শিল্পে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে বিশেষ তহবিল ও স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা চালু করা যেতে পারে। পাশাপাশি ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং প্রকৃত বিনিয়োগকারীদের জন্য ঋণপ্রাপ্তি সহজ করা দরকার। এছাড়া বন্দর ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়া সহজ করা এবং ভারতসহ সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানো ও বাংলাদেশের ইতিবাচক ব্র্যান্ডিং জোরদার করা সময়ের দাবি।
দীর্ঘ সময়ের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে দেশ অবশেষে একটি নির্বাচিত সরকার পেয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার বেশকিছু প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে।










