কারণ বাংলাদেশের বাজেট কাঠামোর দিকে তাকালে দেখা যায়, উন্নয়ন ব্যয় ক্রমেই কমছে, যা উদ্বেগজনক। কেননা এটি ছাড়া অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদন বাড়বে না। অন্যদিকে পরিচালন ব্যয় তথা সরকারি বেতন-ভাতা, বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা, ঋণের সুদ পরিশোধসহ অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যয় বাড়ছে। এসব ব্যয় রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে উৎপাদনে ভূমিকা রাখছে না। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের উচিত ব্যয় সাশ্রয়ী বাজেট নেয়া।
এর বাইরে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জোর দিতে হবে। এজন্য জরুরি হলো সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধ করা। একই সঙ্গে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে হবে, না হলে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ ও বিদেশী বিনিয়োগ বাড়বে না। এরই মধ্যে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ জিডিপির প্রায় ২৪ শতাংশ থেকে কমে চলতি অর্থবছরে ২২ দশমিক ৫ শতাংশে নেমেছে। এর ফলে কর্মসংস্থানও কমেছে।
অর্থাৎ দক্ষ বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সরকারের জন্য বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জ।










