নীতিগত সহায়তা এখানে বিচ্ছিন্ন; মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় দুর্বল। বিদেশী সরবরাহকারীদের আধিপত্য বেশি, যেখানে স্থানীয় কারখানাগুলো তাদের সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার করতে পারছে না। ফলে কৃষকদের অনেক সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মূল্য দিতে হচ্ছে।
যদি আমরা আমাদের ঝুঁকি বা নাজুকতা কমাতে চাই, তবে এ পরিস্থিতির পরিবর্তন এখনই জরুরি। এ খাতে বড় রূপান্তর প্রয়োজন। আমদানিনির্ভরতা কাটিয়ে নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। এজন্য নীতি এবং শিল্পের মধ্যে একটি সিদ্ধান্তমূলক সমন্বয় প্রয়োজন।
এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা বাড়ানো গেলে এর কৌশলগত সুযোগ হিসেবে নিতে হবে। শুল্ক বৈষম্য দূর করা প্রয়োজন। কাঁচামালের উৎস উন্মুক্ত করতে হবে। পদ্ধতিগত বাধা দূর করা জরুরি। প্রয়োজনে বাধ্যতামূলক লাইসেন্সিং নিশ্চিত করা দরকার।
উৎপাদনকারীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি গবেষণা ও অর্থায়ন জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে এলডিসি-পরবর্তী প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। অন্যথায় যখন নীতিগত সুযোগগুলো সংকুচিত হবে, আমরা অরক্ষিত হয়ে পড়ব।










