বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটেও আমরা এ শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি। এটি পুরো শিল্পের অস্তিত্বের দাবি। দ্বিতীয়ত, আমাদের বন্দর ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনা দরকার। বন্দরে পণ্য খালাসে হয়রানি নিরসনে একটি পূর্ণাঙ্গ স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম চালু করা প্রয়োজন। আমাদের প্রত্যাশা, সরকার অন্তত কাঁচামাল খালাসের প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল করবে। তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো রাজস্ব ব্যবস্থা। বর্তমানে ভ্যাট অফিসারদের একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়, যা তারা আবার আমাদের ওপর চাপিয়ে দেয়। এমনকি বিক্রি কম বা না হলেও আগের বছরের হিসাব টেনে সমপরিমাণ বা আগাম ভ্যাট দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। আমার দাবি হলো ভ্যাট আদায় হবে নির্দিষ্ট নিয়ম ও প্রকৃত বিক্রির ওপর ভিত্তি করে; কোনো পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে যেন এমন কোনো টার্গেট দেয়া না হয়। পাশাপাশি বন্দরে যে অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স (এটিআই) কেটে নেয়া হয়, সেটি নিয়েও আমি আপত্তি জানাই। পণ্য বিক্রির আগেই কেন অগ্রিম আয়কর দিতে হবে? লাভ হবে কি হবে না তা নিশ্চিত হওয়ার আগেই এ কর নেয়া অযৌক্তিক।
গ্লাস কারখানাকেও তিতাসের গ্যাস সরবরাহে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা জরুরি। আমাদের ফার্নেস বা চুল্লিগুলো দিনে ২৪ ঘণ্টা চালু রাখতে হয়, যা বন্ধের কোনো সুযোগ নেই।










