কৃষি শুধু খাদ্য উৎপাদনের খাত নয়; এটি দেশের অর্থনীতি ও গ্রামীণ জীবিকার প্রধান ভিত্তি। তাই সরকারি ও বেসরকারি খাতে কৃষি গবেষণায় আরো বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খরা, বন্যা ও নতুন রোগবালাই বাড়ছে। তাই জলবায়ু সহনশীল ও রোগ-প্রতিরোধী নতুন জাত উদ্ভাবন এখন সময়ের দাবি। ভালো বীজ মানেই ভালো ফসল। তাই সময়মতো কৃষকের হাতে মানসম্মত ও উচ্চফলনশীল বীজ পৌঁছে দেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সার সরবরাহ স্বাভাবিক এবং প্রয়োজনীয় ভর্তুকি অব্যাহত রাখতে হবে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে সার উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণেও আরো জোর দিতে হবে। বর্তমানে কৃষিতে শ্রমিকের সংকট বাড়ছে। তাই কৃষি যান্ত্রিকীকরণে ভর্তুকির ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন। এতে কৃষক সময়মতো জমি চাষ, ফসল রোপণ ও কাটতে পারবেন। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, বাজার ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, পানি ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং কৃষিতে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। এসব উদ্যোগ কৃষকের আয় বাড়াবে ।
বাংলাদেশে সরকারের প্রথম ১৮০ দিন উপলক্ষে কৃষি খাত নিয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দ্রুত নজর দেয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।










