কারণ জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্প উৎপাদন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন কমছে, অন্যদিকে এলএনজি ও পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং ভর্তুকির বোঝা বৃদ্ধি করছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত অনশোর ও অফশোর গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানো, দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি সরবরাহ চুক্তি নিশ্চিত করা এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর চাপ কমাতে গৃহস্থালি ও পরিবহন খাতে এলপিজির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। তবে বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতসহ আন্তর্জাতিক অস্থিরতা প্রমাণ করেছে যে সরবরাহ ব্যাহত হলে অর্থনীতি তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যেই জ্বালানি তেল ও গ্যাসের কৌশলগত মজুদ গড়ে তোলা, সংরক্ষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় কৌশলগত মজুদ প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।
নতুন নির্বাচিত সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় জ্বালানি তেল ও গ্যাস খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।










