বিশেষ করে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের নিরবচ্ছিন্নতা, আমদানি করা কাঁচামালের দ্রুত কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স এবং রফতানিমুখী শিল্পে কার্যকর প্রণোদনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি ও প্রতিযোগিতামূলক সুদে শিল্পঋণ, আধুনিক অবকাঠামো এবং লজিস্টিকস দক্ষতা উন্নয়ন উৎপাদন খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াবে। নীতিগত ধারাবাহিকতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ শিল্পায়নের নতুন ধাপে প্রবেশ করতে পারবে এবং বৈশ্বিক বাজারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে।
এটি টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য অপরিহার্য।










