ফলে আমাদের স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন হতে পারে, যার নেতিবাচক প্রভাব হিসেবে আমরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারি। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংক ঋণের সুদহারও বেড়ে গিয়ে ব্যবসা করা দুরূহ হয়ে পড়ে।
যুদ্ধের কারণে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটি মোকাবেলা করতে হচ্ছে, তা হলো জ্বালানি নিরাপত্তা। অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে জ্বালানি মজুদের পরিমাণ কম। এক্ষেত্রে আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ এর ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে।
জ্বালানির দামের বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ জ্বালানির দাম বাড়লে অনেক পণ্যেরই দাম বেড়ে যায়। জ্বালানির পরেই খাদ্যনিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্বসহকারে দেখা উচিত বলে আমি মনে করি। বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন সময়ে নানা ঝামেলা হয়, যেমন বর্তমান যুদ্ধ।
এখানে আমাদের কিছু করার নেই। কিন্তু এর প্রভাবে আমাদের ভুগতে হচ্ছে। আমাদের অনেক কাঁচামাল আমদানি করে আনতে হয়। যার ফলে এরই মধ্যে পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে।
এভাবে নিয়মিতভাবে বিঘ্নিত সরবরাহ শৃঙ্খলের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্ব দেয়া হলে বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সহজ হয়।










