অগ্রাধিকারে থাকতে পারে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনর্নির্মাণ করা। ব্যাংক খাতের সংস্কার, কুঋণ মোকাবেলা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা এবং বিচক্ষণ নীতি অনুসরণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে। সুশাসন, নৈতিক প্রশাসন ও ন্যায্য বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে জনসাধারণের আস্থা ও সম্প্রদায় পর্যায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দায়মুক্তির সংস্কৃতি মোকাবেলা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করা এবং পুলিশ সংস্কার বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার করা এবং নৈতিক অনুশীলন প্রচার করা সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই আস্থা জোরদার করবে। সামাজিক উন্নয়নে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের পাঠ্যক্রমে সংস্কার, দক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সমান প্রবেশাধিকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে নারী-পুরুষ ভেদহীন অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা জরুরি।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সুশাসনের মাধ্যমে বিদেশী বিনিয়োগকারীর আস্থা বাড়বে এবং বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে দেশের অর্থনীতি নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে।