আর্থিক খাতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অর্থনীতির স্থিতিশীলতা। সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ৭-৮ শতাংশের এর মধ্যে আনা, নীতিগত সুদহার স্থিতিশীল রাখা ও বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণ।

এতে বিনিয়োগ ও ঋণগ্রহণ বাড়বে। আর্থিক খাতের সংস্কারের ক্ষেত্রে প্রত্যাশা হলো খেলাপি ঋণ কমানো, দুর্বল ব্যাংক ও এনবিএফআই পুনর্গঠন, সুশাসন ও তদারকি জোরদার করা দরকার। বিনিময় হারকে স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানো প্রয়োজন।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে বেসরকারি বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। শিল্প ও রিয়েল এস্টেট খাতে নীতিগত স্থিতিশীলতা, বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ, ব্যবসার অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা গেলে এনবিএফআইগুলোর ঋণ চাহিদা বাড়বে। এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের একটি বড় অংশের ব্যবসা হাউজিং ও রিয়েল এস্টেট।

BANK-CHART-outline

আবাসন খাতে প্রণোদনা, অবকাঠামো প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন ও শহর উন্নয়ন প্রকল্প বৃদ্ধি হলে আবাসন খাতে অর্থায়নের চাহিদা বাড়বে।

কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধি, মানুষের আয় বাড়লে ঋণের চাহিদা বাড়বে। এজন্য শিল্প খাতে নতুন কর্মসংস্থান, রফতানি ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজার অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য করপোরেট বন্ড মার্কেট উন্নয়ন, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ তহবিল তৈরি ও শেয়ারবাজারে আস্থা পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিতে হবে।