এতে স্বাস্থ্য খাতকে একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা, ধীরে ধীরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে জিডিপির প্রায় ৫ শতাংশে উন্নীত করা, ই-হেলথ কার্ড চালু এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।
তবে বাস্তব অগ্রগতির জন্য কয়েকটি নীতিগত পদক্ষেপ জরুরি। প্রথমত, ওষুধের দাম কমাতে কার্যকর মূল্যনিয়ন্ত্রণ, জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা চিকিৎসার জন্য বিদেশে চলে যাচ্ছে; আন্তর্জাতিক মানের বিশেষায়িত চিকিৎসা অবকাঠামো গড়ে তুললে এ আউটবাউন্ড মেডিকেল ট্যুরিজম উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। তৃতীয়ত, চিকিৎসা সেবা ও মেডিকেল ভর্তি প্রক্রিয়ায় যে অটোমেশন পদ্ধতির কালক্ষেপণ এবং জটিলতা সেটা দূর করতে একটি সমন্বিত ডিজিটাল হেলথ সিস্টেম প্রয়োজন।
সঠিক নীতি এবং কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি আধুনিক ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।










