ফজলুর রহমান বাবুকে নিয়ে নতুন করে বলার বেশি কিছু নেই। অভিনয় দিয়ে তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন বহুবার। সিনেমা, নাটক, টেলিফিল্ম এবং এখন ওটিটির সিরিজেও তার স্বচ্ছন্দ পদচারণা। এর মধ্যে গানও গেয়েছেন বেশকিছু। ইন্দুবালা এখনো বাজে বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন জায়গায়। সম্প্রতি তার একটি সিনেমা সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। ঈদের আগে এটা বেশ আনন্দের ঘটনা। নিজের অভিনয় ও ঈদ উদযাপন নিয়ে কথা বলেছেন বণিক বার্তার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অহিদুর রহমান

সম্প্রতি আপনার অভিনীত ‘মাস্তুল’ সিনেমাটি সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। সিনেমাটি নিয়ে যদি জানাতেন।

এ সিনেমার গল্প সাধারণ গল্প থেকে একটু ব্যতিক্রম। এটি জাহাজের একজন বাবুর্চির গল্প নিয়ে। ছোট ছোট জাহাজের মধ্যে বাবুর্চি ছাড়াও আরো যেসব স্টাফ থাকে, তাদের নিয়ে সিনেমাটি। গল্পের মূল চরিত্র বাবুর্চি। সে একজন অন্য ধরনের মানুষ। সে সবার মঙ্গল চায়। সে বিয়ে করেনি, চুপচাপ থাকে। সবাইকে রান্না করে খাওয়ায়। সবসময় সবার মঙ্গল চায়। একেক সময় একেক ঘাটে গিয়ে একেক বাস্তবতার শিকার হচ্ছে। এটিই হচ্ছে সিনেমার মূল গল্প।

সিনেমাটি মুক্তি পাবে কখন?

এটি ঈদের সিনেমা নয়। পরে যেকোনো সময় মুক্তি পাবে। তার আগে আন্তর্জাতিক কয়েকটি চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে। সিনেমাটি মস্কো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সিলেক্ট হয়েছে।

এবারের ঈদে সিনেমা নিয়ে আপনি কী বলবেন?

সিনেমা হলে প্রচুর সিনেমা আসুক। মানুষ হলে গিয়ে সিনেমা দেখুক। এটাই চাই। কারণ ঈদে মানুষ সুস্থ বিনোদন পাক, এটা প্রত্যাশা করি। চলচ্চিত্র যেন সামনে এগিয়ে যায় এটাই কামনা করি। দেশের মানুষ সিনেমা দেখুক এবং আমাদের সিনেমা যেন আন্তর্জাতিক মানের হয় সে প্রত্যাশা করি।

ঈদে সিনেমা ‍নিয়ে দর্শকের মধ্যে আনাগোনা দেখা যায়। কিন্তু সারা বছর এমনটা দেখা যায় না। সিনেমার ঈদনির্ভর হয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন?

সারা বছর ভালো সিনেমা বানাতে হবে। আমাদের দেশে সিনেমা হল কম। ভালো সিনেমা হল লাগবে। বাংলাদেশের অনেক জেলা শহরে প্রেক্ষাগৃহ নেই। যেখানে মানুষ ইচ্ছা করলেই ঈদে একটা সিনেমা দেখতে পারবে। এ সুযোগই পাওয়া যায় না। দেশে আরো ভালো সিনেমা ও প্রেক্ষাগৃহ দরকার।

আপনার ঈদ কেমন কাটে?

প্রতি বছর যেভাবে ঈদ কাটিয়েছি, এবারো সেভাবেই কাটাব। গ্রামে গেলে আত্মীয়-স্বজন প্রতিবেশী বন্ধু-বান্ধব সবার সঙ্গে দেখা হবে, এটাই তো ঈদের আনন্দ।

ঈদে সিনেমা দেখেন?

আমাদের ফরিদপুর জেলা শহরে সিনেমা দেখার কোনো সুযোগ নেই। তবে ঢাকায় ফিরলে দেখা হবে।

ঈদ উপলক্ষে বেড়াতে যান কোথাও?

হ্যাঁ, আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে বেড়াতে যাই।