এক্সন মবিলের হাত ধরেই বাংলাদেশে আমেরিকান প্রযুক্তিতে মবিল অয়েল ব্লেন্ড করার কাজ শুরু হয়। এ দীর্ঘ সময়ে আমাদের বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বের সব দেশ এ সুযোগ পায় না, যেটা আমরা পেয়েছি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেই দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত, যেখানে আমাদের মবিল উৎপাদনের মান বৈশ্বিক পর্যায়ে অন্যতম শ্রেষ্ঠ হিসেবে স্বীকৃত। সেজন্যই বিশ্বের বৃহত্তম তেল কোম্পানি এক্সন মবিল করপোরেশনের সঙ্গে আমাদের এ দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রয়েছে।

আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমি আমেরিকান জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমি চাই বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে যে নতুন ব্যবসায়িক ধারা শুরু হয়েছে তা আরো এগিয়ে যাক।

আমরা এরই মধ্যে আমেরিকান বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে এলপিজি আমদানি শুরু করেছি; ওমেরা পেট্রোলিয়ামই প্রথম এটি শুরু করে এবং বর্তমানে আরো অনেকে এটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে।

আমি মনে করি, আমেরিকার সঙ্গে জ্বালানি খাতে অংশীদারত্বের মাধ্যমে, বিশেষ করে উৎপাদনক্ষমতা, দক্ষতা অর্জন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। আবার এর ফলে আমাদের অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি, যা ভবিষ্যতে আমাদের অর্থনীতির উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ফলে জ্বালানি অবকাঠামোর যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুনর্গঠন করে পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে সারা বিশ্বেরই দীর্ঘ সময় লাগবে। সে সময় পর্যন্ত আমেরিকা জ্বালানি বাজারে অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে থাকবে।

তাই আমেরিকান সোর্স থেকে পণ্য বা জ্বালানি আমরা কীভাবে আনতে পারি, এনে কীভাবে বাংলাদেশের বাজারে তা সাশ্রয়ী ও প্রতিযোগিতামূলক করা যায়, সে লক্ষ্যেই আমরা বর্তমানে কাজ করছি। আমি মনে করি, এভাবে আমেরিকান পণ্য সাশ্রয়ী উপায়ে বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে আসার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে কাজ করা সম্ভব হবে।

আজম জে চৌধুরী: চেয়ারম্যান, ইস্ট কোস্ট গ্রুপ